ঢাকাThursday , 15 January 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • কুড়িগ্রামে স্বামীকে চেতনানাশক ঔষধখাইয়ে অজ্ঞান করে হত্যারচেষ্টা কম্বলে পেঁচিয়ে লুকানোর অভিযোগ”

    admin
    January 15, 2026 10:52 pm
    Link Copied!

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি।

    কুড়িগ্রামের রাজারহাটে জয়দেব হায়াৎখাঁ গ্রামে এক চাকরিজীবীকে তার স্ত্রী ও শাশুড়ি কর্তৃক চক্রান্তে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যার চেষ্টার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।


    বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মচারী সুজন কুমার রায় (৩২)কে -তার স্ত্রী রত্না রানি (৩৪) ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজনই এই নারকীয় হামলার জন্য দায়ী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রত্না রানি, যিনি বেলগাছা কাঠালতলা সর্বজনীন কালি মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের স্কুলে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন, ২৩ অক্টোবর স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। এরপর স্বামী সুজন কুমার রায় নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে ডিবি পুলিশ রত্না রানিকে উদ্ধার করে তার মা লক্ষ্মী রানির জিম্মায় হস্তান্তর করে।

    কিন্তু গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ দুপুর আড়াইটার দিকে রত্না রানি স্বামী সুজনকে ফোন করে তার বাবার বাড়িতে ডাকেন। সুজন সন্ধ্যা রানির দোকানে মোটরসাইকেল রেখে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছাতেই রত্না রানি ও অন্যান্য আত্মীয়রা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার দুধে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে খাওয়ান। চেতনানাশক পানে অজ্ঞান হওয়ার পর তাকে কম্বল দিয়ে পেঁচিয়ে শয়নকক্ষে লুকিয়ে রাখা হয়।

    দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হবার পর রাত আট ঘটিকার পর মোটরসাইকেল দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করে এবং রাতের অন্ধকারে শ্বশুরবাড়ির একটি ঘরে সুজনকে অচেতন অবস্থায় আবিষ্কার করে। তাকে দ্রুত অটোরিকশায় করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, রেজিস্টার নম্বর ৮৪/০১ সেখানে তাকে এ ভর্তি করা হয়েছে।

    আহত সুজনের বাবা রনজিৎ কুমার রায় (৫০) জানান, “আমার ছেলে যখন হাসপাতালে, তখন আমরা ঘটনা জানতে চাইলে রত্না রানি, তার মা লক্ষ্মী রানি, সোহাগী রানি, হরিপ্রিয়া রানি ও ললিত চন্দ্র বর্মনসহ অন্যদের হুমকি অস্ত্র দেখিয়ে আমাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়।”

    এই হামলার পেছনে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র কাজ করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। গ্রামবাসী ও সাক্ষীরা বলছেন, রত্না রানির আগের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা এবং আদালত-পুলিশের হস্তক্ষেপের পরও এই হামলা দেখে তারা স্তম্ভিত।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে নিখোঁজ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত চলছিল। নতুন এই হামলার ঘটনায় আলাদা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখনও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    এই ঘটনায় স্থানীয় সমাজে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, একজন স্কুলশিক্ষিকা ও আত্মীয়স্বজন কীভাবে এমন নৃশংস কাজে জড়িয়ে পড়লেন। আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহ এ ধরনের ঘটনাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    আহত সুজন কুমার রায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল হলেও বিষের প্রতিক্রিয়া এখনও রয়ে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা-অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST