মোঃ মাসুম বিল্লাহ্, বরগুনা প্রতিনিধি।।
বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও নাচনাপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গির হাওলাদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলা ও স্বাক্ষী বানিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার বিকেলে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী আবু সালেহ খান, মনির মৃধা, জহিরুল প্যাদা, আনোয়ার মৃধা, মিরাজ, রফিক মাদবর ও জুয়েল গাজী অভিযোগ করেন, জাহাঙ্গির বিএনপি নেতা পরিচয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তিনি সালিস বাণিজ্য, মিথ্যা মামলা এবং পরিবারের সদস্যদের দিয়ে স্বাক্ষী করিয়ে বিবাদীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। চাঁদা না দিলেই মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত এক বছরে নাচনাপাড়া এলাকায় দায়ের হওয়া প্রায় সব মামলায় জাহাঙ্গির, তার ছেলে সোহেল হাওলাদার ও পরিবারের অন্য সদস্যরা স্বাক্ষী হয়েছেন। সম্প্রতি জাহাঙ্গির নিজেই আবু সালেহ খানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দোকান ও ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ এনে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গির হাওলাদার বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। আমাকে এবং আমার দলকে হেয় করার জন্যই এসব বলা হচ্ছে।”
আমতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব তুহিন মৃধা জানান, “ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গির হাওলাদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, দোকান ও ঘর পোড়ানোর ঘটনায় থানায় মামলা না নিলেও পরবর্তীতে আদালতে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


