আব্দুল মতিন মুন্সী বোয়ালমারী, ফরিদপুর:
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহারের অধিকার বহাল রাখা, স্বার্থবিরোধী প্রস্তাব প্রত্যাহার করা, হয়রানি ও অসম্মান বন্ধ করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের ‘ডাক্তার’ লেখার আইনগত অধিকার থাকলেও, সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এই পদবি ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি নির্দেশনা জারি করে। এরই প্রতিবাদে এবং নামের আগে ‘ডাক্তার’ লেখার অধিকার বহাল রাখার দাবিতে এই মানববন্ধন পালিত হয়।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় বোয়ালমারী পৌর সদরের ডা. দিলিপ রায় হোমিওপ্যাথিক কলেজ ও হাসপাতালের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। ডা. দিলিপ রায় হোমিওপ্যাথিক কলেজ শিক্ষক সমিতি, বি.এইচ.এম.এ বোয়ালমারী শাখা এবং রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকবৃন্দ যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বোয়ালমারী উপজেলা শাখার সভাপতি ডা. আবু মুসা খান বলেন, “শুরু থেকেই আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করে আসছি। হোমিওপ্যাথির জনক ডা. হ্যানিম্যান নিজেও এমন সংগ্রাম করে এই চিকিৎসাপদ্ধতিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আমাদের ন্যায্য অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই সংগ্রাম চালিয়ে যাব।”
ডা. দিলিপ রায় হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক ডা. মো. রেজাউল করিম বলেন, “হোমিওপ্যাথি বৈষম্যের শিকার। বিএমডিসি তাদের আইন দ্বারা হোমিওপ্যাথি নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, যা আমরা মানি না। সংসদে পাশ হওয়া আইনকে উপেক্ষা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির ওপর ভিত্তি করে আমাদের উপেক্ষা করা হচ্ছে। আমরা আশা করি, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের নামের আগে ‘ডাক্তার’ লেখার ন্যায্য অধিকার দ্রুত ফিরে পাব।”
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বোয়ালমারী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. সঞ্জীব কুমার দাস, আইসিটি সম্পাদক মাওলানা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি ডা. কে এম আসাদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ডা. চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, ডা. দিলীপ রায় হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. প্রণয় কান্তি লস্করসহ কলেজের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।


