মো নাহিদুর রহমান শামীম, মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি//
মানিকগঞ্জ জেলা ২৫০ শ্যয়া বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে কুকুরে ভেকসিন নিতে আশা রুগীর কাছ থেকে টাকা চেয়ে বসেন কাউসার বিশ্বাস। তিনি সদর হাসপাতালের একজন ক্ষমতাশালী নার্স। আজ শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে।
তিনি দায়িত্বে ছিলেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। বেলা ১০ টার পর, কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত হয়ে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রেফার্ড নিয়ে, একজনের সহযোগিতায় হতদরিদ্র
সহজ সরল মা’কে নিয়ে (রোগীর নাম কাইছার বয়স ১৩ বা ১৪ হবে) আসে সদর হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে। হাসপাতালে এসে পাঁচ টাকা দিয়ে টিকিট নেয় রোগীর স্বজন। এরপর ভ্যাকসিন নিতে কাউসারের কাছে গেলে,কাউসার রোগীর স্বজনের কাছে চারশো টাকা দাবি করে বসেন। কিন্তু দরিদ্র পরিবার হওয়ায় টাকা দিতে না পাড়ায় রোগীর সহযোগীর সাথে কাউসারের বাকবিতন্ডায় হয়। এক পর্যায়ে ভ্যাকসিন নাই জানিয়ে তাদের বের করে দেওয়া হয়। যেহেতু রোগীর সহযোগী সচেতন তাই তারা চলে আসেন প্রেসক্লাবে। এরপর বিষয়টি জানার পর হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. বদরুল আলম সাহেবের কাছে জানতে চাওয়া হলে হাসপাতালে কুকুরের ভ্যাকসিন রির্জাভ আছে বলে তিনি জানান। এরপর তাকে পুরো বিষয়টি জানানো হলে তিনি (ডাক্তার বদরুল আলম) হাসপাতারের আরএমও মাধ্যমে কাউসারের সাথে কথা বলে পরবর্তীতে সাংবাদিকদের ফোন করে রোগীকে পুর্ণরায় হাসপাতালে গিয়ে কাউসারের কাছ থেকে ভ্যাকসিন নিতে অনুরোধ করেন। এরপর রোগী তার স্বজনের সাথে পুর্ণরায় হাসপাতালে গিয়ে কাউসারকে বদরুল আলমের কথা বলার পর কাউসার নানা অজুহাতে অসহায় রোগীকে সারাদিন বসিয়ে রেখে বিকেল চারটায় ভ্যাকসিন না দিয়ে ছেড়ে দেন। দীর্ঘ সময় রোগীর মায়ের কাছে ফোন না থাকায় ও সহজসরল হওয়ায় তিনিও কাউকে বিষয়টি জানাতে পারেনি। পরে সন্ধায় মা,ছেলে দৌলতপুর ফিরে বাইরের মেডিসিনের দোকান থেকে পাঁচশো টাকা খরচ করে ভ্যাকসিন ক্রয় করে রোগীকে পুষ করেন। এই হলো মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার নমুনা। প্রতিদিন এরকম ভুঁড়ি ভুঁড়ি অভিযোগ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও আয়ার বিরুদ্ধে । এরা কি আসলেই সেবার প্রত্যয় নিয়ে নার্স হয়েছেন নাকি হাসপাতালের ঔষধ বিক্রি করে কোটিপতি হতে এসেছেন।


