অনুসন্ধান প্রতিবেদন
যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের তেঘরিয়ার নিমতলা এলাকায় রাতের আঁধারে অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করছে ভূমিদস্যু মোঃ শরিফুল ইসলাম, এই ভূমিদস্যু শরিফুল ইসলাম ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছে, প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে। বেনাপোল সড়ক এখন অবৈধ টলি এবং ভূমিদস্যুদের দখলে সড়ক দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে।
এই ভূমিদস্যু মোঃ শরিফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে চাঁচড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ভেকু দিয়ে ফসলি জমি থেকে শুরু করে পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করছে, গ্ৰামের রাস্তা গুলো ঝুঁকিপূর্ণ করে দিয়েছে। কিছু দিন আগেও শরিফুলের ৬ থেকে ৮টি অবৈধ টলি পুলিশ মাটিসহ আটক করে পরে যে কোন ভাবে অবৈধ টলি পুলিশের থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এর পরেও ভূমিদস্যু শরিফুলের মাটি বিক্রি বন্ধ হয়নি, যতো দিন যাচ্ছে ততই এই ভূমিদস্যু অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করেই চলেছে।
আজ শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভূমিদস্যু শরিফুল অবৈধ ভেকু দিয়ে নিমতলা এলাকায় ৮ থেকে ১০টি অবৈধ টলি দিয়ে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করছে, সড়কে মাটি পড়ে রয়েছে, যে কোন সময় পড়ে থাকা মাটির কারণে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলনের বিষয়ে শরিফুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি টাকা দিয়ে মাটি কিনেছি মাটি তো বিক্রি করবই, তিনি আরো বলেন আমার মাটির টলি রাস্তা দিয়ে চলছে আরো চলবে আপনারা সাংবাদিক যা করতে পারেন তো করেন।
ভূমিদস্যু শরিফুল সাংবাদিককে বলেন আমি মাটি কাটতেছি আরো কাটবো আপনি ও আপনার সাংবাদিক আমার কিছুই করতে পারবেন না,আর যদি কিছু করতে পারেন তাহলে করে দেখান, তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকজন দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলিয়েছেন। ভূমিদস্যু শরিফুলের কথায় মনে হয় তিনি অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি বিক্রি করছে এবং করে যাবেন তাকে কেউ কিছু করতে পারবে না। তার কথা একটাই আমি মাটি বিক্রি করে যাবো আপনারা পারলে কিছু করে দেখাতে পারেন।
বেনাপোল সড়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক,এই সড়ক দিয়ে সারাদেশে পন্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল করে, যার কারণে অবৈধ টলি মাটি নিয়ে যে ভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, সড়কে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যে কোন সময়।
যে ভাবে ভূমিদস্যুরা মহাসড়কে অবৈধ টলি দিয়ে মাটি নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে কোন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। প্রশাসনের নীরবতার কারণে এই ভূমিদস্যুরা তাদের অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি বিক্রি করার সাহস পেয়েছে।
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করার বিষয়টি একাধিকবার জানানো হয়েছে তবে সে এই পর্যন্ত কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।


