নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের ধোপাখোলা এলাকায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে প্রাইভেটকার চালক আহত হয়।
প্রাইভেটকার চালক মোঃ সাকিল, পিতা মোঃ খায়রুল আলম গ্ৰাম বেজপাড়া,থানা যশোর সদর, যশোর।
স্থানীয় ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সোমবার (৮ জুন) সকাল ৮,৩০ মিনিটের দিকে যশোর থেকে আসা প্রাইভেটকার অনেক গতিতে চালিয়ে আসছিল ধোপাখোলা এলাকায় পৌঁছালে বেনাপোল বন্দর থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সাথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্র্যাকের ডান পাশে টায়ারের সাথে লাগিয়ে দেয়।
এলাকাবাসী জানায় প্রাইভেটকারের চালক ট্রাকের সাথে এমন ভাবে ধাক্কা লাগে সাথে সাথে প্রাইভেটকারের ডান পাশে দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং চাকল আহত হয়।
এলাকাবাসী বলেন প্রাইভেটকারের চালকে দ্রুত আমরা গাড়ির ভিতর থেকে বের করি, তবে চালকের বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানান তারা।
এলাকার কয়েকজনের সাথে সাংবাদিকরা কথা বলেন তারা বলেন আমরা গাড়ির ভিতর থেকে বের করার পরে, চালকের বাসায় ফোন দিয়ে জানানোর পরে তার বাবা, স্ত্রী এবং আত্মীয়-স্বজন আসেন তারা আসার পর চালক তার বাবা ও স্ত্রীকে দেখে বলেন আমি সুইসাইড করতে বের হয়েছিলাম। এলাকাবাসী বলেন চালক তার বাবাকে ও স্ত্রীকে বলেন এখানে কেন আসছো আমি সুইসাইড করার জন্যই ট্রাকের সাথে গাড়ি লাগিয়ে দিয়েছিলাম।
এলাকাবাসী সাংবাদিকদের বলেন কিছুক্ষণ পর চালক মোঃ সাকিলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য।
নাভারন হাইওয়ে থানার এ এসআই মোঃ মফিজুর বলেন আমাদের ফোন দেওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সব কিছু পরিদর্শন করে দেখা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি এই দুর্ঘটনা প্রাইভেটকারের চালকের নিজের ইচ্ছায় ট্র্যাকের সাথে তার গাড়ি লাগিয়ে দেয়।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন আমরা সব তথ্য সংগ্রহ করেছি গাড়ির কাগজপত্র উনাদের বাসায় রয়েছে কাগজপত্র দেওয়ার পর ওসি স্যার যেটা বলবেন আমরা সেই ভাবে কাজ করব।
ট্র্যাক চালক বেল্লাল, পিতা মোঃ রশিদ, গ্ৰাম সিকরী, থানা শার্শা, জেলা যশোর, তিনি বলেন আমার বেনাপোল বন্দর থেকে মাল লোট দিয়ে আসছি হটাৎ ধোপাখোলা এলাকায় পৌঁছালে যশোরগামী একটি প্রাইভেটকার গতিতে এসে আমার গাড়ির ডান পাশের চাকায় লাগিয়ে দেয়। গাড়ি যে গতিতে চালিয়ে এসে লাগিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে আমার গাড়ি জাগায় দাঁড়িয়ে পরে এবং আমার গাড়ির অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
পরবর্তীতে মালিকের পক্ষে একজন এসে বিষয়টি নিয়ে প্রাইভেটকারের মালিকদের সাথে কথা বলে,তারা বলেন আপনাদের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ আমরা আপনাকে দেওয়া হবে।
ট্র্যাক চালক আরো বলেন প্রাইভেটকার যে চালিয়েছে তাকে গাড়ি থেকে বের করার পরে চালক নিজের মুখে বলেন আমি ট্র্যাকের সাথে লাগিয়ে দিয়েছি সুইসাইড করার উদ্দেশ্যে লাগিয়ে দিয়েছি আমি সুইসাইড করতে বের হয়েছি।
প্রাইভেটকারের চালকের বাবা মোঃ খায়রুল আলম সাংবাদিকদের মুঠো ফোনে কথা বলেন আমার ছেলে বাসায় ঝামেলা করে বের হয়েছে কিনা এই বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। কারণ এই বিষয়ে আমার ছেলের সাথে কথা হয়নি সে কি কারণে সুইসাইড করার জন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছে তাও আমি জানিনা তবে যখন দুর্ঘটনা ঘটে তার পরে ফোন আসলে গাড়ির কাছে যেয়ে দেখতে পায়।
তিনি আরো বলেন ট্র্যাক মালিকদের সাথে আমার কোন কথা হয়নি এই বিষয়ে কিছু জানিনা না।
তিনি বলেন হাইওয়ে থানার ওসি স্যার বলেন আপনাদের গাড়ির কোন কাগজপত্র নেই আপনাদের গাড়ির বিরুদ্ধে ঢাকা ডি এমপিতে একটা মামলা হয়েছে আপনাদের কাগজপত্র নিয়ে আসেন তার পরে বিষয়টি দেখা হবে।
নাভারন হাইওয়ে থানার ওসি গোপাল কুমার বলেন প্রাইভেট কার টি আটক করা হয়েছে, মামলা হয়নি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই দুর্ঘটনার প্রাইভেটকারের কাগজপত্র কাছে না থাকার কারণে এখনো মামলা হয়নি তবে মামলার প্রক্রিয়া চলমান পরবর্তী প্রতিবেদন দেখতে চোখ রাখুন।


