মোঃ মামুন আলী ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি :
অনলাইনের মাধ্যমে চার মাস আগে পরিচয় হয়ে বর মোঃ ইব্রাহিম শেখ, পিতা মোঃ আনোয়ার শেখ মাতা মোছাঃ সুফিয়া বেগম সাং আলতাপোল পোঃ কেশবপুর উপজেলা কেশবপুর জেলা যশোর। বিয়ে করেন কনে অর্থিনা খাতুন,পিতা রবিউল ইসলাম মাতা মোছাঃ শিউলি খাতুন। সাং চররূপদাহ পোঃ- কমিড়াদহ,উপজেলা শৈলকূপা জেলা ঝিনাইদহ।
প্রথমে মোবাইলে পরিচয়। সেই পরিচয় থেকে প্রতিদিন একটু একটু করে কথা বলে ফেলা হয় প্রেমের ফাঁদে। প্রেমের ফাঁদ থেকে কথা দেওয়া হয় বিয়ের।বিয়ে করে তার সংসারে গিয়ে বিভিন্ন প্রবাসী ছেলেদের সাথে পরকীয়া লিপ্ত থাকে অর্থিনা খাতুন।স্বামী বিষয়টি লক্ষ্য করলে প্রতিবাদ করায় মেয়ের বাবা রবিউল ইসলাম তার
মেয়েকে নিয়ে চলে যায়। তারপরে স্বামীর সংসারে না গিয়ে ও তাকে তালাক না দিয়ে, চালিয়ে যায় বিভিন্ন প্রতারণা। বিভিন্ন সময় প্রবাসী ছেলেদের টার্গেট করে প্রেমের ছলনা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় অর্থিনা।ও এর সাথে সহযোগিতা করেন তার মেজ বোন মোছাঃ রুমিসা আক্তার।
ভুক্তভোগী তার স্বামী জানান :আমার স্ত্রী বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছেলেদের সাথে মোবাইলে কথা বলেন, আমাকে ঠিকমতো সময় দেয় না, সে আমার বাড়ি থেকে চলে গিয়ে তার বাপের বাড়ি অবস্থান করছে দীর্ঘদিন যাবত, আমি তাকে ফোন দিলে আমার ফোন রিসিভ করেন না, আমার সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক রাখতে চান না। আমার সাথে কোন যোগাযোগ রাখেন না, বিষয়ে অভিযোগ শোনার পর। সে আমার সাথে প্রতারণা করে করেছে।
অর্থিনা বাবার সাথে যোগাযোগ করলে তার বাবার সাংবাদিকদের কে জানান আমার মেয়েকে আর ওখানে সংসার করতে দিব না।আমরা তালাকনামা করে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমার মেয়েকে আপাতত বিয়ে দেব না তাকে লেখাপড়া করাবো। আমার মেয়েকে খুব নির্যাতন করে তার স্বামী এইজন্য তাকে আর ওই পরিবারে আমরা দিব না।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অর্থিনা সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি প্রতিবেদকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে ব্যস্ততার অজুহাতে ফোনের সংযোগটি বিছিন্ন করে দেন। পরে একাধিক সময় তার সাথে যোহাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন আর রিসিভ করেন নি।
এদিকে প্রতিবেদকের হাতে আসা বেশ কিছু স্কীনর্শটে দেখা যায়, বিভিন্ন সময় বিকাশের মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয়েছে। পবাসি ছেলেদের সাথে কথাবার্তা বলার স্ক্রিনশট দেখা গেছে। অন্তরঙ্গ মুহূর্তে তারা ভিড়িও কলে একে অপরের সাথে কথা বলছেন। এবং একে অপরের সাথে ভালবাসার কথাবর্তা লিখে এসএমএস করছেন।
আরেক ভুক্তভোগী হৃদয় প্রবাসী বলেন, তার মেজ বোন মোছাম্মদ রমিসা আক্তারের সাথে tiktok এ পরিচয় হয়েছে। তখন তিনি বলেন আমার ছোট বোনকে বিয়ে দেবো। যদি আপনার ভালো লাগে আপনি দেশে আসলে আপনার সাথে বিয়ে দেব। এবং কি এই
কথা বলে প্রতি মাসে মাসে তার কাছ থেকে নেওয়া হয় টাকা


