জাকির আহমেদ মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ
মদনে প্রেমের টানে আপন চাচীর সাথে দেখা করতে এসে ভাতিজা আটক। শনিবার বিকালে মদন পৌর শহরের হাজী বিরানী হাউজে এমন ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে আপন ভাসুরের ছেলে তারেক মিয়ার(১৮)। তারেক মিয়া উপজেলার খাগুরিয়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে। প্রেমের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। দু’জনের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের কিছু ছবি গোপনে ধারন করে রাখে ভাতিজা। কিন্তু চাচী ওই সম্পর্ক থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইলে, ভাতিজা অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবির ভয় দেখিয়ে চাচীর সাথে আরও কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়। এমনকি চাচীর কাছ থেকে ভাতিজা পর্যায়ক্রমে ২ লক্ষ নগদ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় চাচীর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে ভাতিজা। চাচী তাকে মদন পৌর শহরের হাজী বিরানী হাউজে আসতে বলেন। ভাতিজা হাজী বিরানী হাউজে টাকা নিতে আসলে পুলিশ তাকে হাতে নাতে ধরে।
হাজী বিরানী হাউজের ম্যানেজার মাসুদ মিয়া জানান, বিকালে একজন মহিলা আমাদের রেস্টুরেন্টে এসে বসে। কিছুক্ষণ পর একটা ছেলে আসে। আরও কিছুসময় পর কয়েকজন লোক এসে ছেলেটাকে কিল-ঘুষি মেরে হাতকড়া লাগিয়ে নিয়ে যায়।
চাচী জানান, আমার মোবাইল থেকে ছবি নিয়ে তারেক আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। এবারও টাকা নিতে এসে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।
ভাতিজা জানান, চাচীর সাথে আমার দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক আছে ঠিকই। কিন্ত টাকা ও স্বর্নালংকের বিষয়টি মিথ্যা।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে মদন থানায় গেলে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসনাত জামানকে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
পরে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই গোলাম রসুল জানান, চাচীর অভিযোগের প্রেক্ষিতেই ভাতিজাকে হাজী বিরানি হাউজ থেকে আটক করা হয়।


