বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; মাগুরা থেকে//
জাতীয় ক্রিকেটার মুশফিকুর রহীমের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে গিয়ে স্রোতে ভেসে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে তাঁর ১৬ বছরের ভাতিজা আহনাফ। নিখোঁজ হওয়ার ১৬ ঘণ্টা পর আজ সকালে সৈকতের নাজিরারটেক পয়েন্ট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি ঘটে গতকাল রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে। আহনাফ তার দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গোসল করতে নামে। সে সময় সমুদ্র ছিল উত্তাল, সঙ্গে বৃষ্টি ও স্রোতের তোড়। মুহূর্তের মধ্যেই তিনজনই পানির ধাক্কায় গভীর সমুদ্রে তলিয়ে যায়। লাইফগার্ড কর্মীরা তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও আহনাফ নিখোঁজ ছিল।
পুরো রাতজুড়ে চলা উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়। অবশেষে আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় পোনা শিকারিরা সৈকতের নাজিরারটেক পয়েন্টে একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে লাইফগার্ডকে খবর দেয়। পরে সি সেফ লাইফগার্ড টিম ও সৈকতের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে পরিচয় শনাক্ত হলে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি নিখোঁজ আহনাফের দেহ।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদুল ইসলাম গোমতীর বার্তা কে জানান, আহনাফ তার পরিবারসহ বগুড়া থেকে কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছিল। মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মুশফিকুর রহীমের পরিবারের এই মর্মান্তিক শোক সংবাদে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই আহনাফের অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো, সমুদ্রসৈকতের মতো বিপজ্জনক স্থানে আনন্দ করার পাশাপাশি সতর্কতাও থাকা জরুরি। প্রশাসন ও পর্যটন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সমুদ্রস্নানে বাড়তি সচেতনতা এবং নজরদারি বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com