মো:ফারুক আহমেদ (ঘাটাইল)
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের,দড়িবীরচারি গ্রামে চকচকের বাইদে দেখা মিললো একটি হিজল গাছ। এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছে শুনে আসা গল্প থেকে জানাযায় বহু বছর আগে কোচার থেকে এক তান্ত্রিক সাধু নাকি এই হিজল গাছে চড়ে চকচকে বাইদে এসেছিলেন। পরবর্তীতে সেই তান্ত্রিক রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেলেও গাছটি কালের সাক্ষী হয়ে রয়ে যায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাছটির উপরে লাল নিশান (পতাকা) লাগানো রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, অনেক দূর-দূরান্ত থেকে দেখতে আসেন রহস্যময় এই হিজল গাছটি। অনেকে মনের আশা পূরণের জন্য মিষ্টি, দুধ, কলা, হাঁস ,মুরগি, ছাগল নিয়ে আসেন ভোগ (মানত)দেওয়ার জন্য। তাদের ধারণা এই রহস্যময় হিজল গাছে মানত করলে মনের আশা পূরণ হবে। টাঙ্গাইল জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার উত্তরে এবং ঘাটাইল শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিম- দক্ষিণে দিগলকান্দি ইউনিয়নের দড়িবীরচারি গ্রামের চকচকে বাইদে নিচু জমিতে দূর থেকে একটি ছোট গাছ দেখা গেলেও সামনে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল আকৃতির দুটি সুরঙ্গ বিশিষ্ট, অসংখ্য ডালপালা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গাছটি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সড়ক থেকে নিচু জমিনে অবস্থিত হলেও প্রবল বন্যায় যখন চারপাশের সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়, তখনও এই গাছটির চূড়া অলৌকিকভাবে ভেসে থাকে। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সড়ক ডুবে গেলেও হিজল গাছটির কিছু হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এর পর থেকেই অজানা বয়সের পুরনো এই হিজল গাছটি নিয়ে এলাকায় চান চল্যকর সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান গাছটির আনুমানিক বয়স প্রায় আড়াইশত বছর। বর্তমানে স্থানীয় শহিদ পাগলা নামে এক সাধক গাছটির যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করছেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে টিকে আছে লোকবিশ্বাস ও শতাব্দীর স্মৃতি বহনকারী এই হিজল গাছ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com