মোহাম্মদ সিরাজুল মনির চট্টগ্রাম থেকে//
ঢাকা-চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেললাইনের ক্রসিং গুলো নিরাপদ নয়। বিভিন্ন জায়গায় থাকা ক্রসিং গুলোর গেইটম্যান না থাকার কারণে যানবাহন পারাপারে সতর্ক না হওয়ার ফলে রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে অসাবধানতার কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অনেকের ধারণা। একটু সচেতন হয়ে রেললাইনগুলো দিয়ে পারাপার করলে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ৫৬ টি রেল ক্রসিং রয়েছে এর সবগুলোতে নিরাপত্তার জন্য গেটম্যান থাকার কথা থাকলেও তা না থাকার কারণে গত ২০ মাসে ৩০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। চট্টগ্রাম থেকে দোহাহাজারি পর্যন্ত কয়েকটি জায়গায় গেটম্যান থাকলেও দোহাজারীর পর থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় সবগুলো রেল ক্রসিং এ গেটম্যান নাই। এতে যত তত্র অসাবধানতায় যানবাহন পারাপার এবং সাধারণ মানুষ পারাপার হওয়ার কারণে রেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে মৃত্যুজনিত কারণ ঘটতেছে প্রতিনিয়ত।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানান যেসব রেল ক্রসিং এ গেট ম্যান নাই সেখানে সাইনবোর্ডের মাধ্যমে সাবধানে পারাপার হওয়ার জন্য নোটিশ আকারে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছে তার পরেও সাধারন মানুষ এবং যানবাহনগুলো তাড়াহুড়ো করে পার হতে গিয়ে রেলের সাথে সংঘর্ষ ঘটে এবং প্রাণহানি হয়। যেহেতু কক্সবাজার রেল লাইনটি নতুন তাই গেটম্যান নিয়োগে একটু সময় লেগে যাচ্ছে এসব অরক্ষিত রেল ক্রসিং এ গেটম্যান নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও রেলের কর্মকর্তারা জানান। কর্মকর্তারা আরো বলেন রেললাইনে সারাদিন রেল চলাচল করে না তারপরেও স্থানীয় মানুষ এবং পথচারীদের একটু সচেতন হয়ে চলাচল করলে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। একেবারে অসাবধানতার কারণে এবং তাড়াতাড়ি রেললাইন পার হতে গিয়ে এসব দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। তারপরেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আগামী কিছুদিনের মধ্যে বিশেষ করে দোহাজারী স্টেশন থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত যেসব রেল ক্রসিং রয়েছে সেগুলোতে চাহিদা মত গেটম্যান নিয়োগ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com