বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও উত্তাপ ছড়িয়েছে ধর্মীয় অনুভূতি সংশ্লিষ্ট একটি বিতর্ককে ঘিরে। অতীতে লতিফ সিদ্দিকী হজ্ব নিয়ে কটুবাক্য করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ দল ও সংসদ থেকে বহিষ্কৃত হন। সেই ঘটনার দৃষ্টান্ত এখনও মানুষের মনে স্পষ্টভাবে গেঁথে আছে।
কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে নিলুফার চৌধুরী-এর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কঠোর অবস্থান না নেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ধর্মপ্রাণ জনগণ। প্রশ্ন উঠছে—ফরজ এর মত বিষয় নিয়ে কটুবাক্য কি শুধুই রাজনৈতিক সুবিধা-অসুবিধা দিয়ে বিবেচিত হবে? তারেক রহমানের সরকার এর উপর কি ধরনের সিদ্ধান্ত নেন,জনগন তা তাড়াতাড়ি বিচারের আওতায় দেখতে চান? না হলে আমরা মনে করব এটা ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে মাত্র তারেক সরকার।
সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখে পড়েছেন তারেক রহমান। জনগণের একটি বড় অংশ মনে করছে, এমন সংবেদনশীল ইস্যুতে তাঁর নীরবতা বা দেরি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজনৈতিক দুর্বলতার পরিচয় দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে সমালোচনার ঝড়—“ধর্ম নিয়ে আপস কেন?”—এমন প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে তা জনগণের আস্থা বহুগুণ বাড়াতে পারে। কিন্তু উল্টোটা হলে রাজনৈতিকভাবে বড় ধাক্কা খেতে পারে তাঁর নেতৃত্ব। এমনকি অনেকে তুলনা টেনে বলছেন—“ধর্মীয় বিষয়ে অন্য দলও যেখানে কঠোর অবস্থান নেয়, সেখানে এই নীরবতা অস্বাভাবিক।”
বর্তমানে সবার নজর একটাই—তারেক রহমান কী সিদ্ধান্ত নেন। এটি শুধু একটি ব্যক্তিকে ঘিরে সিদ্ধান্ত নয়, বরং জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এখন প্রশ্ন একটাই: সিদ্ধান্ত আসবে, নাকি নীরবতাই চলবে?
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com