মোঃতানজিলুল ইসলাম লাইক রাজশাহী,
রাজশাহীর পুঠিয়ায় ধর্ষণ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১ টার সময় ওই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় নারী-পুরুষরা রশিদা খাতুন ওরফে রোশনি দেওয়ান এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তারা ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় এলাকাবাসীর নারী পুরুষরা রোশনি দেওয়ানের বিচারের দাবি এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন তারা। পরে বিক্ষোভ করতে দেখা যায় তাদের।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা রোশনি দেওয়ান পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে মাদক ও দেহ ব্যবসা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতা আমাদের কারিগর পাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে অনৈতিক কাজ করার সময় এলাকাবাসী হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করে দিলে ওই সালিশটি রোশনি দেওয়ানের পছন্দ না হওয়ায়, পাঁচ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দেয়। আমরা ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।
পাশের বাড়ির ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সোনিয়া বেগম বলেন, ওই মহিলা একাই বাসায় থাকে। আর পুরুষ মানুষ ওই বাড়িতে যাওয়া আসা করে। পরে একজন অপরিচিত পুরুষ সহ ওই নারীকে স্থানীয় এলাকাবাসী ধরে ফেলে। পরে ওই ছেলেকে তার গার্জিয়ানরা নিয়ে যায়, এবং ওই নারীকে, নারীর লোকজন এসে নিয়ে যায়।
ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মুরাদ হোসেনের স্ত্রী রাশেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী বিদেশে থাকে। বিদেশ থেকে আসার পরে আমার স্বামীকে বিদেশ না যেতে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত করে এ মামলা দেওয়া হয়েছে। আমি আমার স্বামীর মুক্তির দাবি জানাই।
বাড়িওয়ালা শাহিনা বেগম বলেন, আমাকে বলেছিল তার ছেলে এবং ছেলের বউ সহ বাড়িতে আসবে। পরে শুনি সে একা এসেছিল তারপরে শুনি এসব ঘটনা।
মুঞ্জুরা বেগম বলেন, বিদেশ যেতে না দেওয়ার জন্য এই চক্রান্ত করা হয়েছে। তাছাড়া ফায়সালা হওয়ার পরে মুরাদ সেখানে এসেছিল। তাছাড়া সবাই সেখানে সালিশ করতে গিয়েছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com