মোঃতানজিলুল ইসলাম লাইক রাজশাহী,
রাজশাহীর বাগমারায় সাত মাসের এক কন্যাশিশুকে নিয়ে পালিয়েছেন এক গৃহবধূ পালিয়েছেন। শিশুর ও গৃহবধূর অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি পরিবার।
কোলে নিয়ে আদর করা অবস্থায় শিশুকে নিয়ে সকটে পড়েন ওই গৃহবধূ। নিখোঁজ ওই শিশুর নাম জুবাইদা আক্তার (৭)। সে উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছি গ্রামের জাহিদ হাসানের একমাত্র মেয়ে। পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূর নাম শিউলি বেগম (৩৫)। তিনি একই গ্রামের বিদুৎ হোসেনের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি নাটোরে। আজ বুধবার এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় আজ বুধবার সকালে প্রতিবেশি জাহিদ হাসানের শিশু কন্যা জবাইদা আক্তারকে কোলে নিয়ে আদর করছিলেন প্রতিবেশি শিউলী বেগম। এক পর্যায়ে শিশুকে কোলে নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে যান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও শিশুসহ শিউলী বেগম ফিরে না আসায় সন্দেহ হয়। শিশুর মা মেয়েকে আনার জন্য প্রতিবেশী শিউলী বেগমের বাড়িতে যান। এসয়ম তাকে বাড়িতে না পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। পরিবারের লোকজনের কাছ থেকেও কোন তথ্য না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে পরিবারের লোকজন। পরে সিএনজি ও বাসস্ট্যান্ডে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয় তাদের৷ নিরুপায়ে থানা পুলিশকেও ঘটনাটি জানানো হয়।
নিখোঁজ শিশুর মা সুরাইয়া আক্তার ইতি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, প্রতিবেশী প্রায় তার বাড়িতে এসে মেয়েকে আদর করে। এভাবে কেন নিয়ে যাবে তা ভেবে পাচ্ছেন না। মেয়েকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে চান।
বাবা দোকান কর্মচারী জাহিদ হাসান বলেন, এই বিষয়ে থানায় গেলে ওসি স্যার না থাকায় জিডি বা অভিযোগ না নিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে দুপুরে মুঠোফোনে থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা বলেন, ' পুলিশই যোগাযোগ করে পরিবারকে থানায় আসার জন্য বলেছে, তবে বেলা তিনটা পর্যন্ত থানায় আসেনি। তবে কর্তব্যরত কর্মকর্তা নিজের নাম জানাতে চাননি।
প্রতিবেশীরা জানান, শিউলী বেগমের তাদের ১০ ও পাঁচ বছরের দুইটি সন্তান রয়েছে।
এক সময় ঢাকায় স্বামী সন্তানসহ ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। দেড়মাস আগে শিউলী বেগম স্বামীর বাড়ি দানগাছিতে সন্তানসহ চলে আসেন। তবে স্বামীর বিদ্যুৎ ঢাকাতেই আছেন। তবে কিছু দিন ধরে তার আচরণ অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। তিনি বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে গেছেন। শিশু সন্তান নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারণ খোঁজে পাচ্ছেন না।
দুপুরে বাড়িতে গিয়ে কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ দেখা যায়।
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়েছেন বাবা- মা। তাদের চাওয়া অক্ষত অবস্থায় মেয়েকে ফেরত পাওয়া।
গৃহবধূর স্বামী বিদ্যুৎ হোসেন বলেন, ' আমি গাজিপুরে আছি। ঘটনা সকালে শুনেছি, কীভাবে কী হলো বুজবের পরিচ্ছি না ভাই। আমি বাড়িত আসিত্তি।'
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com