মো নাহিদুর রহমান শামীম, মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
বিশেষজ্ঞদের মতে পৃথিবীতে প্রায় ৫ লাখ প্রজাতির পাখি আছে। এসব পাখিদের মধ্যে অনেক প্রজাতিই বছরের একটি নিদিষ্ট সময় অন্য দেশে চলে যায়। সেইসব দেশ বরফে ঢেকে যাওয়ায় এতই ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে যে আমাদের দেশ শীতকাল সেই পাখিদের জন্য অনেক আরামদায়ক। শুধু ইউরোপ আর এশিয়ায় প্রায় ৬০০ প্রজাতির অতিথি পাখি রয়েছে। এসব পাখি আমাদের দেশে প্রতি বছর বেড়াতে আসে। প্রতি বছরের মত এবারও বাতাসে শীতের ছোঁয়া লাগতেই অতিথি পাখির আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে ।
শীত আসলে লক্ষ লক্ষ মাইল দূর থেকে, উড়ে আসে অতিথি পাখি। এসব পাখি বাংলাদেশ বিভিন্ন নদীর পাড়, হাওরাঞ্চলে, বিভিন্ন বিল এসে আশ্রয় গ্রহণ করে। তেমন মানিকগঞ্জ জেলা ঘিওর ও শিবালয় উপজেলার নদীর পাড়ে এখন অতীত পাখির বিচর, ও কিচিরমিচির শব্দ, ঝাঁক বেঁধে ঘুড়ে বেড়াতে দেখা যায়।
লেঞ্জা, কুন্তি হাঁস, জিরিয়া হাঁস, নীলশির, গ্যাডওয়াল, লালশির, পাতারি হাঁস, বামনীয়া, ভুটি হাঁস, কালো হাঁস, চখা-চখি, বালি হাঁস, বড় সরালী, ছোট সরালী, রাজ হাঁস, কানি বক, ধূসর বক, গো বক, সাদা বক, ছোট বক, মাঝলা বক, কালেম বা কায়েন, জল ময়ূর, ডুবুরি, খোপা ডুবুরি, ছোট পানকৌড়ি, বড় পানকৌড়ি, শামুক ভাঙ্গা বা শামুক খোলা, কালো কুট, কাদা খোঁচা বা চ্যাগা, জলের কাদাখোঁচা পাখি, ছোট জিরিয়া, বাটান, চা পাখি, সবুজ পা, লাল পা পিও, লাল লতিফা বা হটটিটি, গঙ্গা কবুতর, কাল মাখা গঙ্গা কবুতর, রাজসরালি, পিন্টেল, পাতিসরালি, বালিহাঁস, ল্যাঞ্জাহাঁস, সাদাবক, দলপিপি, পানমুরগি, কাস্তেচড়া, বেগুনিকালেম, পানকৌড়ি, ঈগল প্রভৃতি।
প্রতিদিন বিকালে পাখি প্রেমিকরা ঐ সব পাখি দেখতে ভির জমায়। মানিকগঞ্জে বন ও প্রাণী সম্পদ উপজেলা কর্মকর্তা বিশেষ আয়োজন করেছে।অতীত পাখি সংরক্ষণ, তদের সঠিক বিচল, সহ কেউ যেন পাখি শিকার না করতে পারে সেই দিকে লক্ষ রাখছে। এছাড়াও বিভিন্ন পেস্টন, ব্যনার, সহ নানা আলোচনা অনুষ্ঠান করে। অতীত পাখি আমাদের সম্পদ, পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য অতীত পাখি অনেক ভুমিকা পালন করে। তাই আসুন অতীত পাখিকে ভাল বাসি এবং পাখি শিকার বন্ধ করি। বর্তমানে বাংলাদেশ সহ অনেক বিশ্বের অনেক দেশ পাখি রক্ষা ও সংরক্ষণ জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগের চেয়ে পাখির সংখ্যা অনেক কমে গেছে বলে বিজ্ঞানিরা বলছে। তাই অতীত পাখি সহ সকল প্রকার পাখি সংরক্ষণ ও রক্ষা করা আমাদের অধিকার।


