মোঃ আবু তৈয়ব, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম, ( প্রতিনিধি) :
আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার সদরে মুহতামিম, শায়খুল হাদিস ও প্রধান মুফতি ফকীহুদ্দীন আল্লামা হাফেজ মুফতি আহমদুল্লাহ রহ.-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে আজ সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, মুফতি আহমদুল্লাহ ছিলেন এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। শৈশবে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন। উচ্চতর ইসলামী শিক্ষার জন্য পাকিস্তানের লাহোর, মুলতান ও করাচির বিখ্যাত মাদরাসাগুলোতে অধ্যয়ন করেন এবং সর্বত্র প্রথম স্থান অর্জন করেন। দারুল উলূম করাচিতে মুফতি আজম আল্লামা শফী রহ.-এর তত্ত্বাবধানে ইফতা সম্পন্ন করে ইলমের শীর্ষ স্থানে পৌঁছান।
তারা আরো বলেন, তিনি ২৩ বছর জামিয়া আরবিয়া জিরিতে শিক্ষকতা করেন এবং পরে চার দশকেরও বেশি সময় আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ায় শায়খুল হাদিস, প্রধান মুফতি ও সদরে মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার হাতে গড়ে উঠেছে হাজারো আলেম, যারা দেশ-বিদেশে দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত আছেন।
লেখালেখির ক্ষেত্রেও তিনি অমূল্য সম্পদ রেখে গেছেন। তার রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে সহীহ বুখারীর ব্যাখ্যা, চট্টগ্রামের মাশায়েখগণ, তাজকেরাতুন নূর, তাসকীনুল খাওয়াতির, ইসলামের দৃষ্টিতে শেয়ার বাজার, আহমদী সুবাসিত খুতবা প্রভৃতি। এসব রচনা ইলমী দিক থেকে যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি সমকালীন সমস্যার সমাধানে দিকনির্দেশনামূলক।
তারা বলেন, তার ইন্তেকালে আমরা একজন ইলমের বাতিঘর, আধ্যাত্মিকতার মূর্ত প্রতীক ও যুগশ্রেষ্ঠ আলেম হারালাম। তবে তার রেখে যাওয়া অগণন ছাত্র, গ্রন্থ ও শিক্ষামূলক কাজ জাতিকে আগামী দিনেও আলোর পথ দেখাবে ইনশাআল্লাহ।
তারা বলেন, আল্লাহ তাআলা হযরতের কবরকে নূরানী করুন, জান্নাতুল ফেরদৌসে সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং তার ইলম ও আমলকে কিয়ামত পর্যন্ত সজীব রাখুন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com