নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের জিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিতরে সহকারী শিক্ষক রিপন দত্ত, টাকা নিয়ে প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
জিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ খাদিজার জোকশাজেসে স্কুল ছুটির পরে রিপন দত্ত ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রাইভেট পড়ানো হচ্ছে। জিয়াডাঙ্গা এলাকা থেকে কয়েকজন সুশীল সমাজের ব্যাক্তি ফোন দিয়ে জানান, তারা বলেন আমাদের এই স্কুলের ভিতরে ছুটির পরে রিপন দত্ত কিছু ছেলে মেয়েদের প্রাইভেট পড়িয়ে আসছেন অনেক দিন যাবত।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বিকাল ৪,৩০ মিনিটের দিকে স্কুলের ভিতরেই প্রাইভেট পড়াচ্ছেন, সহকারী শিক্ষক রিপন দত্ত, এই বিষয়ে রিপন দত্তের সাথে সাংবাদিকরা কথা বলেন সে জানায় আমি স্কুলে লেখাপড়ায় দূর্বল তাদের পড়ানো হয়।
সাংবাদিকরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন,তারা বলেন আমরা প্রতি মাসে স্যারকে ৩০০/ টাকা দিয়ে পড়ি, তারা বলেন আমরা স্যারের কাছে অনেক দিন ধরে প্রাইভেট পড়ছি শিক্ষার্থীরা বলেন আমাদের ছুটির পরে প্রাইভেট পড়ান রিপন স্যার।
পরে সহকারী শিক্ষক রিপন দত্তকে জিগ্যেস করলে বলেন আমাকে আমাদের প্রধান শিক্ষক অডার দিয়েছে তিনি বলেছেন যে আপনি স্কুল ছুটির পড়ে এদের প্রাইভেট পড়াবেন। সহকারী শিক্ষক রিপন দত্ত বলেন আমাকে ম্যাডাম পারমিশন না দিলে আমি স্কুলের ভিতরে প্রাইভেট পড়াতে পারি, রিপন দত্ত বলেন আমাকে ম্যাডাম পারমিশন দেওয়ার পর থেকে আমি এদের প্রাইভেট পড়াচ্ছি আপনাদের যা বলার প্রধান শিক্ষক ম্যাডামের সাথে কথা বলুন সবচেয়ে ভালো হয়।
সাংবাদিকদের শিক্ষার্থীরা জানায় তাদের কাছ থেকে পুরাতন বই ফেরত নিয়েছেন, তারা বলেন আমাদের ফাইনাল পরীক্ষার সময় সব বই ফেরত নেওয়া হয় প্রতি বছর, সাংবাদিকরা শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করেন তোমাদের কাছ থেকে যে বই ফেরত নেওয়া হয়, সেই বই কি করেন, শিক্ষার্থীরা বলেন আমরা জানি না, বই ফেরত নিয়ে কি করেন।
জিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ খাদিজার সাথে ফোনে কথা বলেন সাংবাদিকরা তখন তিনি সাংবাদিকদের উপর ফোনে চোটে গিয়ে বলেন স্কুলের ভিতরে প্রাইভেট পড়ানো হয় না,যে সকল শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় দূর্বল তাদের এক্সট্রা পড়ানো হয়।
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন ম্যাডাম রিপন দত্ত প্রতি মাসে ৩০০/ টাকা করে নিয়ে প্রাইভেট পড়ান আপনি এই বিষয়ে জানেন তিনি বলেন না আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা, প্রধান শিক্ষক মোছাঃ খাদিজা সাংবাদিকদের বলেন আপনাদের অফিস কোথায় আপনার অফিসে বসে এই বিষয়ে কথা বলবো আমি আমাদের শিক্ষক সমিতির শহিদুল ভাইকে বিষয়টি জানাচ্ছি তিনি এখনি আপনাদের সাথে কথা বলবেন আর আমি আগামীকাল আপনাদের অফিসে এসে কথা বলবো এই কথা বলে ফোন কেটে দেয়।
প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থেকে এই ধরনের অনিয়ম করে চলেছেন তাকে প্রশ্ন করলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে গরম মেজাজে কথা বলেন তিনি যে ধরনের কথাবার্তা বলছেন।
অভয়নগর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ সালাউদ্দিন কে, বিষয়টি জানানো হয় তিনি সাংবাদিকদের বলেন এই বিষয়ে শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলতে হবে, তিনি বলেন আমি শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলে আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
অভয়নগর উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ফোন দেওয়া হয় তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রতিবেদনের জন্য তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে দ্বিতীয় পর্ব দেখতে চোখ রাখুন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com