অনুসন্ধানের প্রথম পর্ব
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে ভেজাল গুড় তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে মোঃ জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।
এই অবৈধ ব্যাবসায়ী এলাকার প্রভাব খাটিয়ে ভেজাল গুড় তৈরি করে সাধারণ মানুষের খতি করছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর এলাকায় নকল গুড় তৈরি করছেন, মোঃ জাহাঙ্গীর, নামের ব্যাবসায়ী। এলাকাবাসী জানায় এই জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে দাপটের সাথে ভেজাল গুড়ের ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বলেন এই অবৈধ গুড়ের কারখানা অনেক দিন ধরে চালিয়ে আসছে এই পর্যন্ত প্রশাসনের কাউকে আসতে দেখা যায়নি,যার কারণে দাপটের সাথে ভেজাল গুড়ের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারছেন।
নকল খেজুরের গুড় ও আখের গুড় তৈরি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে ।
এলাকাবাসী বলেন আমরা ভেজাল গুড় তৈরি করতে বাধা দিয়েছি কিন্তু জাহাঙ্গীর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দিনের পর দিন ভেজাল গুড়ের কারখানা চালিয়ে যাচ্ছে।
এলাকা থেকে কেউ কিছু বলতে গেলে জাহাঙ্গীর বলে আমার কারখানা চলছে আর চলবে তোমরা কেউ কিছু করতে পারলে করে দেও।
প্রশাসন সূত্র জানায় অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে যশোরের শার্শা উপজেলা এবং ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়ন এলাকায় আসল খেজুরের গুড়ের নামে নকল খেজুরের গুড় ও আখের গুড় তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছে। প্রশাসন সূত্রে আরো জানা যায়, কর্মকর্তারা বলেন আগেও অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে, তাদের বলা হয়েছিল আর কোনো ভেজাল গুড় তৈরি করতে পারবেন না।
অনুসন্ধানের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে,চিনি এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে পবিত্র রমজান মাসেও তারা ভেজাল গুড় তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে চলেছেন।
প্রশাসন সূত্র জানায় জরিমানা করার পরেও যদি ভেজাল গুড় তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অবৈধ গুড়ের কারখানার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রতিবেদনর তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে, যতো দিন প্রশাসন এই কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করবেন তত দিন প্রতিবেদন চলমান থাকবে।


