নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার আফরিন পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি তেলের সংকটময় মুহূর্তে ও দেখা গেছে রাতের সরকারি নিয়ম অমান্য করে গাড়ি এবং বিভিন্ন কায়দায় ড্রামে তেল বাহিরে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
আফরিন পেট্রোল পাম্প থেকে দীর্ঘদিন দিন ধরে প্রতি রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল অবৈধভাবে বিক্রি করছেন পাশাপাশি আরো দেখা গেছে ইজিবাইকের ভিতরে ড্রাম রেখেই ডিজেল বিক্রি করছেন। দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে সরকার বিভিন্ন ভাবে সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করছেন। সেই মুহূর্তে আফরিন পেট্রোল পাম্পে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে সাংবাদিকদের সামনেই ড্রামে তেল বিক্রি করছে এবং ঈদের পর থেকে অবৈধ গাড়িতে ও তেল বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আফরিন পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার ও কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বলেন এই বিষয়ে আমাদের মালিক ও ম্যানেজার জানেন, তারা বলেন আপনারা আমাদের মালিকের সাথে কথা বলুন, আমাদের মালিক যে ভাবে বলবেন আমরা তো সেই ভাবেই তেল দিবো।
আফরিন পেট্রোল পাম্পের মালিক মোঃ আজমিরের সাথে ফোনে কথা বলা হয়, তিনি বলেন দেশে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে এই অবস্থায় সরকারি ভাবে যে নির্দেশনা দেওয়া আছে আমি সেই নিয়মেই তেল বিক্রি করছি তিনি বলেন ড্রামে তেল দেওয়া নিষেধ আছে সেই বিষয়ে আমার জানা আছে,তবে টলিতে তেল দেওয়া যাবে না এই ধরনের কোন নির্দেশনা আমাদের দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন অবৈধভাবে মাটি কাটছে এই বিষয়ে আমার কোন ধারণা নেই আর আমার জানা ও নেই, তিনি বলেন মাটি ব্যবসায়ীরা আমাকে বলেছে যে আপনার কোন সমস্যা নেই, আমরা মেডিকেলে মাটি দিচ্ছি আমাদের পাস আছে। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন না আমাকে তারা কোন পাসের কাগজপত্র দেয় নাই, তারা বলছেন যে আমাদের মাটি কাটার পারমিশন সব জায়গা থেকে নেওয়া আছে। এই কথা বলার পরে আমি কিছু দিন ধরে ১০০/ লিটার করে ডিজেল দিয়ে আসছি, তিনি আরো বলেন আমি যদি জানতাম যে অবৈধভাবে মাটি কাটছে তাদের কোনো পারমিশন নেই তাহলে আমি তাদের ডিজেল দিতাম না।
তিনি বলেন আমার এই বিষয়ে কোন ধারণা নেই আপনি বলার পরে বুঝতে পেরেছি যে মাটি পারমিশন ছাড়াই কাটছে তিনি বলেন আমি মাটি ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলেছি তাকে জানিয়ে দিয়েছি যে তোমাদের নামে নিউজ হয়েছে। আফরিন পেট্রোল পাম্পের মালিক মোঃ আজমির বলেন আমি তাদের আগামীকাল থেকে আর কোন ডিজেল দিবো না।
সাংবাদিকরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল আনুমানিক রাত ৮টার দিকে আফরিন পেট্রোল পাম্প থেকে ৮ থেকে ১০টি অবৈধ গাড়িতে ডিজেল দিতে দেখা গেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহরিয়ার হক বলেন সব তথ্য পাঠিয়ে দিন আমি আফরিন পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।


