নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলায় বিএসটিআই ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে একাধিকের ও বেশি ভুয়া ও অনুমোদনহীন ডেইরি শপ। এদের বেশিরভাগই "সাতক্ষীরা ঘোষ ডেইরি" ও "আদি সাতক্ষীরা ঘোষ ডেইরি" সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দইয়ের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের কারখানাগুলোতে অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে মিষ্টিজাতীয় খাবার ও দই। নিয়ম অনুযায়ী দই তৈরির জন্য বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র এবং ওজন মাপার মিটার স্কেলে বিএসটিআই অনুমোদিত স্টিকার থাকা বাধ্যতামূলক হলেও, দোকানগুলোতে এসব আইনের কোনো বালাই নেই। শুধু তা-ই নয়, মিষ্টির মূল্যের সাথে ভারী কার্টুনের ওজন মেপে ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
এতে একদিকে সাধারণ মানুষ চরম প্রতারণা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনিক তদারকির অভাবে দোকানগুলো লাগামহীনভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মধ্যে কিছু লোকদেখানো অভিযান চালানো হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। ফলে ভেজাল ও অপরিচ্ছন্ন উপায়ে উৎপাদিত এসব খাদ্যপণ্য খেয়ে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রুপদিয়া বাজারের সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারি কারখানার মালিক গোবিন্দ কুমার ঘোষ বলেন আমার বিএসটিআইর ছাড়পত্র নেই,কারখানা থাকলে একটু অপরিছন্ন থাকতেই পারে।তবে পরবর্তীতে ঠিক করে নিব।
এর আগেও একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল,এর পরে হাশিমপুর বাজারে বরিশাল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিমুজ্জামান, তবে দুই দিন যেতে না যেতেই আবার সেই দোকানে দেখা গেছে আগের চিত্র। রান্না করা খাবার অপরিষ্কার জায়গায় খোলা রেখে দিয়েছে মাছি খাবারের উপর পড়তেও দেখা যায়।
হোটেল মালিককে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কি করব এভাবেই ব্যাবসা করে আসছি এবং এভাবেই চলবে আমরা যে ভাবে রেখেছি সঠিক ভাবে রেখেছি আপনারা যা পারেন করেন সমস্যা নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসটিআই- এর উপ-পরিচালক(সিএম)প্রকৌশলী আসলাম শেখ বলেন,আমরা একটা অভিযান পরিচালনা করেছি,
"অনুমোদনহীন ও নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও অবৈধভাবে দই প্রস্তুত ও বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।"
এ বিষয়ে অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com