নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নের এক সময়ের আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মঈদুল্লাহ ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছে র্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা। অভিযানে ২৯ বোতল উইনকরেক্স উদ্ধার করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করেছে র্যাব। সোমবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এ অভিযান চলে।
এ সময় মঈদুল্লাহর বেস্ট ব্রেড অ্যান্ড বেকারি কারখানা, তার অফিস ও বাড়িঘরে তল্লাশি চালানো হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছে এক সময়ের আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মঈদুল্লাহ ও তার পরিবার। তাদের দাবি, মঈদুল্লাহ মাদক ব্যবসা ছেড়ে বর্তমানে বেকারির ব্যবসা করছেন। সম্প্রতি র্যাবের এক সদস্যের ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই তাকে ফাঁসানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। সে কারণেই র্যাব প্রবেশের পর সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকেলে হঠাৎ করে সিভিল পোশাকে র্যাবের পাঁচ-ছয়জন সদস্য কারখানায় প্রবেশ করেন। তারা প্রথমে সিসি ক্যামেরার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। পরে সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হার্ডডিস্ক নিয়ে যান। এরপর তারা তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেন। পরে সেখানে কোম্পানি কমান্ডারও উপস্থিত হন।
এরপর মঈদুল্লাহর পরিবারের সদস্যসহ গ্রামের অসংখ্য মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হন। দীর্ঘ অভিযান শেষে জেনারেটর কক্ষ থেকে ওই মাদক উদ্ধার করা হয় বলে জানায় র্যাব। এ সময় পরিবারের সদস্যরা র্যাবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করতে থাকেন। এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে র্যাব মঈদুল্লাহকে নিয়ে ক্যাম্পে চলে যায়।
এ বিষয়ে র্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার এটি এম ফজলে রাব্বি প্রিন্স বলেন, মঈদুল্লাহ একজন আলোচিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তার নামে ৯টি মামলা রয়েছে, যার অধিকাংশই মাদকসংক্রান্ত। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ফাঁসানোর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com