মোঃ আবদুল মোতালেব
বিশেষ প্রতিনিধি :-
এক জেলাতেই ৭১০ কোটি টাকার সুপারি,
যেখানে শ্রমিকের আয় দিনে আড়াই হাজার
চলতি মৌসুমে লক্ষ্মীপুর জেলায় প্রায় ৭১০ কোটি টাকার সুপারি বেচাকেনা হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে। জেলার মাটি ও আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরের মতো এবারও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এবং বর্তমানে উৎপাদিত সুপারির প্রায় ৬০ শতাংশ পানিতে ভিজিয়ে এবং বাকি ৪০ শতাংশ কাঁচা ও রোদে শুকিয়ে বাজারজাতকরণের প্রস্তুতি চলছে। এই বিপুল পরিমাণ সুপারি বিপণনকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুর শহরের উত্তর তেহমনী বাজারসহ স্থানীয় হাটবাজারগুলো এখন পাইকারি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর, যেখানে প্রতি পণ পাকা সুপারি ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা এবং প্রতি কাউন ২,৪০০ থেকে ২,৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সুপারির এই জমজমাট মৌসুম কেবল বাগানমালিক বা ব্যবসায়ীদের ভাগ্যই বদলাচ্ছে না, বরং গাছ থেকে সুপারি পাড়ার শ্রমিকদেরও সৃষ্টি করেছে বিশাল আয়ের সুযোগ। প্রতিটি গাছ থেকে সুপারি পেড়ে ১০ টাকা মজুরি পাওয়ার সুবাদে একেকজন শ্রমিক দৈনিক ২৫০ থেকে ৩০০টি গাছে উঠে অনায়াসেই আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুরে বর্তমানে প্রায় ৭,২৫০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে এবং একবার রোপণ করলে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ফলন পাওয়া যায় বিধায় এই লাভজনক চাষে স্থানীয় কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com