জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান ঃ
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াংছা-কাঁঠালছড়া এলাকায় নদীর পাড়ে বিপুল পরিমাণ সেগুন ও গামারি কাঠ অবৈধভাবে মজুদের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব কাঠ রাতের আঁধারে অন্যত্র পাচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর পাড়ের একটি স্থানে বিভিন্ন আকারের সেগুন ও গামারি কাঠ মজুদ করে রাখা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সুবিধাজনক সময়ে নৌপথ কিংবা স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে এসব কাঠ সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় কাঠ মজুদ ও পাচারের ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। ফলে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ বা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
পরিবেশ সচেতন স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সংরক্ষিত বা সরকারি বনাঞ্চল থেকে গাছ কেটে অবৈধভাবে পাচার করা হলে তা শুধু বনসম্পদের ক্ষতিই করে না, এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ইয়াংছা-কাঁঠালছড়া এলাকায় মজুদ করা কাঠের বৈধ কাগজপত্র যাচাই এবং কাঠের উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে কাঠের উৎস, মালিকানা ও মজুদের বৈধতা যাচাই করার দাবি উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং বন বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com