মোসা বেবিয়ারা খাতুন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের দানিয়ালগাছি/২১ মৌজার ১৭১ নং দাগের পুকুরটি সরকারি সায়রাত মহলভুক্ত যা নিয়মিত ইজারা প্রদান করা হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১৪৩৩-৩৫ বঙ্গাব্দ মেয়াদে ইজারার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয়। উল্লিখিত মেয়াদের জন্য ইজারা গ্রহণ করেন, কর্ণখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি। ইজারা প্রদানের পর উপজেলা ভূমি অফিসে উক্ত সায়রাত মহলে সরকারের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আছে মর্মে সংশ্লিষ্ট মামলার রায়ের ফটোকপি জমা দেন এক ব্যক্তি। তবে উক্ত মামলার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কোর্টের কোন রায়ের তথ্য অত্র অফিসে পূর্বে ছিলনা।
উক্ত দাখিলকৃত কাগজ যাচাই করে দেখা যায়, নালিশী জমি নিয়ে 50/2007 নং অঃ প্রঃ মোকদ্দমায় 24.08.2016 খ্রি. তারিখরায়ে বিবাদী পক্ষকে (বাংলাদেশ সরকার) “নালিশী জমিতে অনুপ্রবেশ করা হতে বিবাদী পক্ষকে চিরস্থায়ীভাবে নিষেধ করা হলো।” মর্মে আদেশ দেখা যায়।
মহামান্য আদালতের রায়ের আদেশ থাকায় উক্ত জমিতে সরকারের পক্ষে ইজারা কার্যক্রম চলমান রাখার সুযোগ নেই এবং উপজেলা জলমহাল কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত সায়রাত মহালটির ইজারা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। উক্ত পুকুর পুনঃখনন কিংবা সংস্কারের কোন ধরনের অনুমতি উপজেলা প্রশাসন থেকে দেয়া হয়নি।
উক্ত অবৈধ খনন কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্ণখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি সম্পূর্ন অবৈধভাবে কোন ধরণের কোন অনুমতি ব্যতিরেকে স্বউদ্যোগে রাতের আধারে খনন করে দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের নয়াগ্রাম নামক স্থানে জমা করে রাখে, যা প্রশাসন জানার সাথে সাথে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ করে উত্তোলিত মাটি সরকারের জিম্মায় গ্রহণ করে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উক্ত স্থানে সরেজমিনে গিয়ে স্তুপকৃত অবৈধ মাটি ও একটি এক্সক্যাভেটর মেশিন জব্দ করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, দাইপুকুরিয়া এর জিম্মায় প্রদান করেন।
উক্ত পুকুরটি অবৈধভাবে খনন কার্যক্রমের সাথে অত্র উপজেলার কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com