বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার মাজেদা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই ফিলিং স্টেশনে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। গ্রাহকদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকার তেলের জন্য ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ৪০০ টাকার তেলের জন্য ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। প্রকাশ্যে ড্রামে করে তেল বিক্রির ঘটনাও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে শ্রীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক আলোকিত সকালের সাংবাদিক আব্দুর রশিদ ফিলিং স্টেশনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। এ সময় এক পুলিশ সদস্য তার ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভিডিও ধারণের সময় পুলিশ সদস্য নাজমুল সাংবাদিককে মারধর করেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ধারণকৃত ভিডিও মুছে ফেলেন। পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েকজনকে ডেকে এনে আবারও তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুর রশিদ বলেন, “অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিডিও ধারণ করছিলাম। এ সময় পুলিশ সদস্য নাজমুল আমার ওপর হামলা চালিয়ে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে দেন। পরে স্থানীয় কয়েকজনকে দিয়ে আবারও মারধর করানো হয়।”
এদিকে, তেল নিতে আসা এক গ্রাহক অভিযোগ করেন, “আমি ১ হাজার টাকার তেল নিলেও আমার কাছ থেকে ১১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। প্রায় প্রতিবারই অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে।”
অভিযোগের বিষয়ে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আতাউর রহমান বলেন, “ঘটনাটি দুঃখজনক। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।”
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com