বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে এনসিপি। দলটির শক্তিশালী ও তরুণ লিগ্যাল টিমের কার্যকর ভূমিকার ফলে প্রায় হারাতে বসা একটি আসনে নতুন করে সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
জানা যায়, এনসিপির প্রার্থী মনিরা শারমিন তার মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করলেও তা নাকচ করা হয় এবং তার মনোনয়ন বাতিলই বহাল রাখা হয়। এ অবস্থায় তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে মাত্র ১৯ মিনিট দেরির কারণে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আপিল করে এনসিপির লিগ্যাল টিম।
আদালতে শুনানির সময় এনসিপির আইনজীবীরা যুক্তি তুলে ধরেন যে, বিকেল ৪টার আগেই নুসরাত তাবাসসুমের সকল কাগজপত্র প্রস্তুত ছিল এবং তিনি ইসি কার্যালয়েই উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে সময়ক্ষেপণ ঘটে, যা প্রার্থীর দায় নয়।
এই যুক্তি আমলে নিয়ে আদালত নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন “অন মেরিট” গ্রহণের নির্দেশ দেন। ফলে এখন তার কাগজপত্রের বৈধতা যাচাই করলেই হবে—সময়জনিত জটিলতা আর বাধা হিসেবে থাকছে না।
এ গুরুত্বপূর্ণ আইনি সাফল্যের পেছনে এনসিপির লিগ্যাল টিম বা ল উইং ‘ন্যাশনাল লয়্যারস অ্যালায়েন্স’-এর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আজকের শুনানিতে অংশ নেন তরুণ আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান, জহিরুল ইসলাম মুসা ও সালেহ উদ্দিন সিফাতসহ আরও অনেকে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তরুণ আইনজীবীদের এই দক্ষতা ও কৌশলগত উপস্থাপন ভবিষ্যতে দেশের আইনি অঙ্গনে বড় ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এনসিপির জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: সাইফুল ইসলাম|
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১৮৮, এম জে টাওয়ার (৮ম তলা), ফকিরাপুল (বড় মসজিদের পাশে) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল:- ০১৯১৯৯২০০৫৮, ০১৮১৯৯২০০৫৮, ই মেইল: gomtirbarta@gmail.com