ঢাকাSaturday , 23 August 2025
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • রং চা‌য়ের স্বা‌দে জন‌প্রিয় মাকসুদ মিয়া

    admin
    August 23, 2025 1:43 am
    Link Copied!

    সালমান ইমন, লক্ষীপুর প্রতিনিধি।

    লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট মধ্য বাজারে ফুটপাতে ছোট্ট একটি দোকান। আর সেখানেই প্রতিদিন ভিড় জমে তরুণ-যুবক থেকে শুরু করে বাজারের সাধারণ ক্রেতাদের কারণ একটাই মাকছুদ মিয়ার হাতে তৈরি সুস্বাদু রং চা।
    অভাব-অনটনে জর্জরিত জীবনে টিকে থাকার লড়াইয়ে কয়েক মাস আগে মাকছুদ মিয়া এই ছোট দোকান চালু করেন রিল্যাক্স সেলুনের সামনে প্রতিদিন ১৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে বসান তার ট্রি-স্টল। দোকানে পাওয়া যায় চা, পান, সিগারেট, বন, রুটি ও কলাসহ নিত্যদিনের ছোটখাটো খাবার। ছেলে আলামিনও বাবার সঙ্গে বসে কাজ করেন।
    কিন্তু সংসার চলছে কষ্টে। দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে সামান্য এই আয় দিয়েই টানাপোড়েনের সংসার চালাচ্ছেন মাকছুদ মিয়া। তবু হাল ছাড়েননি তিনি।

    মাকছুদ মিয়ার দোকান শুধু একটি চায়ের দোকান নয়, হাজিরহাটে যেন আড্ডা ও মিলনমেলার জায়গা হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থী শামীম প্রতিদিন বন্ধুদের নিয়ে আসেন চা খেতে। তিনি বলেন, মাকছুদ ভাইয়ের চায়ের স্বাদ একেবারেই আলাদা। প্রতিদিন না খেলে মনে হয় দিনটা অসম্পূর্ণ রয়ে গেল।

    ফাহিম জানান, আমার বড় ভাইদেরও নিয়ে আসি এখানে। সবাই মিলে চা খেতে বসলে অন্য রকম আনন্দ হয়।

    অন্যদিকে জাবেদ বলেন, এখানে চা না খেলে আমার রাতে ঘুম আসে না। আমাদের মতো তরুণদের প্রথম পছন্দের দোকান এই রং চায়ের দোকান।

    যদিও ক্রেতা আছে, তবুও পুঁজি স্বল্পতায় দোকান বড় করতে পারছেন না মাকছুদ মিয়া। আক্ষেপ ঝরে তার কণ্ঠে, টাকার অভাবে দোকানটা বড় করতে পারছি না। অনেকেই বলে দোকানটা একটু সাজিয়ে-গুছিয়ে করলে আরও ভালো চলবে। কিন্তু সামর্থ্য নেই। এই দোকান দিয়েই সংসার টানছি। সংসারের প্রয়োজন মেটাতে প্রতিদিনের আয় শেষ হয়ে যায়। নতুন করে দোকান সাজানো বা বড় করার কথা ভাবলেই অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।
    তবে সবকিছুর পরও হাজিরহাট বাজারের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এই দোকান। সন্ধ্যা নামলেই দোকানের সামনে জমে ওঠে আড্ডা। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, সবাই মিলে এক কাপ চায়ের সঙ্গে ভাগ করে নেন দিনের ক্লান্তি, হাসি-আনন্দের গল্প।
    চায়ের দোকানকে কেন্দ্র করে এমন সামাজিক বন্ধনই যেন নতুন প্রজন্মকে একসূত্রে বাঁধছে।

    অভাব, সংগ্রাম আর সীমাবদ্ধতার মাঝেও হাসি মুখে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন মাকছুদ মিয়া। হয়তো বড় পুঁজি নেই, বড় দোকান নেই, কিন্তু আছে স্বাদ, আন্তরিকতা আর মানুষের আস্থা। সেই আস্থা তাকে শুধু একজন চা বিক্রেতা নয়, হাজিরহাটের মানুষের কাছে একজন প্রিয় মুখে পরিণত করেছে।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST