ঢাকাFriday , 26 June 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • ১৬ কি:মি: ভাড়া ৫০০ টাকা! স্পীডবোট সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি দ্বীপের বাসিন্দারা

    admin
    June 26, 2026 5:38 pm
    Link Copied!

    এম কে হাসান, জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার

    বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের সাধারণ বাসিন্দা ও পর্যটকরা দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী স্পীডবোট সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। টেকনাফ সদর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দূরত্ব মাত্র ১৬ কিলোমিটার। অথচ এই পথে একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) ভাড়া হিসেবে জনপ্রতি আদায় করা হচ্ছে ৫০০ টাকা। একই জেলার সমদূরত্বের অন্য জলপথগুলোর ভাড়ার তুলনায় এটি চরম বৈষম্য মূলক ও অযৌক্তিক বলে অভিযোগ উঠেছে।
    স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বছরের পর বছর ধরে এই লাগামহীন ভাড়া আদায় করছে ‘নারিকেল জিনজিরা স্পীড বোট ও লাইফ বোট মালিক সমবায় সমিতি লিঃ’ নামের একটি প্রভাবশালী সংগঠন।
    কিলোমিটার প্রতি ভাড়া আড়াই গুণ বেশি :- অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজারের অন্য দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী থেকে জেলা সদরের নৌপথের দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। সেখানে স্পীডবোট ভাড়া জনপ্রতি মাত্র ১০০ টাকা। অর্থাৎ, মহেশখালী রুটে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া যেখানে মাত্র ১২ টাকা ৫০ পয়সা, সেখানে সেন্টমার্টিন রুটে তা ৩১ টাকা ২৫ পয়সা। কিলোমিটার প্রতি ভাড়ার এই ব্যবধান মহেশখালীর তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি।
    জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস, জিম্মি দ্বীপবাসী :- দ্বীপের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের অভিযোগ, এই ভাড়া-বাণিজ্য দীর্ঘদিনের। স্থানীয় প্রশাসনকে উপেক্ষা করে এই সিন্ডিকেট দ্বীপবাসীকে শোষণ করে আসছে। জরুরি চিকিৎসা, প্রশাসনিক কাজ কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনের জন্য সেন্টমার্টিনের স্থায়ী বাসিন্দাদের প্রতিনিয়ত টেকনাফ সদরে যাতায়াত করতে হয়। এই যাতায়াতেই তাদের আয়ের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে, যা দ্বীপবাসীর জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে।
    সেন্টমার্টিনের এক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দ্বীপে ভালো হাসপাতাল নেই। জরুরি চিকিৎসার জন্য টেকনাফ যেতেই ১ হাজার টাকা শুধু স্পীডবোট ভাড়ায় চলে যায়। আমরা কি এই দেশের নাগরিক না?
    তথ্য চেয়ে মেলেনি প্রতিকার, উল্টো হুমকি :- এই প্রকাশ্য শোষণের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সোচ্চার হয়েছেন কক্সবাজারের স্থানীয় সেচ্ছাসেবকরা। সিন্ডিকেটের অবৈধ কার্যক্রম ও ভাড়ার সঠিক আইনি ভিত্তি জানতে চেয়ে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর আবেদনও করা হয়েছিল।
    কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সেই আবেদনের কোনো সুরাহা মেলেনি, কিংবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টো অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবককে বিভিন্ন মহল থেকে আবেদন প্রত্যাহার করার জন্য চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
    প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ :- স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রশাসনের এই রহস্যজনক নীরবতা সিন্ডিকেটকে আরও বেশি বেপরোয়া করে তুলেছে। কোনো ধরনের সরকারি তদারকি না থাকায় তারা সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে বহাল তবিয়তে।
    সেন্টমার্টিনের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি এবং দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন শিল্পকে সিন্ডিকেট মুক্ত করতে অবিলম্বে এই ভাড়ার যৌক্তিক পুনর্নির্ধারণ ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST