বাউফল প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী বাউফল উপজেলা কেশবপুর ইউনিয়নের উত্তর মোমিনপুরে জমির সীমান্তের একটি কাউফলা গাছকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতি ঘটনা ঘটেছে। গত ১০ মে ২০২৫ তারিখে বড় ভাই আবুল কালাম আবু ও ছোট ভাই মাহবুব হাওলাদারের মধ্যে গাছ কাটাকে নিয়ে তর্কবিতর্ক দেখা দেয় এবং এক পর্যায়ে হাতাহাতি সংঘটিত হয়।
ঘটনার পর ছোট ভাই মাহবুবের স্ত্রী সালমা বেগম (৩৫) বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের বাড়িতে শান্তি নেই। আবু বাড়িতে যা কিছু আছে সব ভোগ করে, ভাগের জায়গা বুঝিয়ে দেয় নি। থানায় অভিযোগ দিলে এএস আই শাহীন তদন্ত করে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ আখতারুজ্জামান সরকার এটা মামলা নেয় এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্তে দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি তিন ধাপে আমার কাছে টাকা দাবি করেছিলেন। আমি কিছু দিয়েছি, কিন্তু মোট কত টাকা দিয়েছি তা মনে নেই। টাকা দিছেন সাংবাদিক প্রমাণ চাইলে কোন প্রমাণ নেই এ কথা বলেন সালমা ।”
বাদির শশুর জয়নাল হাওলাদার (৭০), পিতা, সাংবাদিকদের বলেন, “আমার ছোট ছেলে মাহবুবের মেয়ের মৃত্যুতে কবরস্থান থেকে বড় ছেলে আবুল কালাম আবু একটি কাউফলার ডাল কেটে আনে। মাহবুব সেই ডাল নিয়ে কোদাল দিয়ে মারতে যায়। আমি তখন মাঝখানে গিয়ে দুই ভাইকে থামাই। একপর্যায়ে আবুল কালাম আবু ছোট ছেলের ঠোঁটে ঘুসি মারেন। সামান্য বিষয় নিয়ে আমার ছোট ছেলে বউ থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশ আমাদের কাছে কোনো টাকা পয়সা দাবি করেনি।”
রিজিয়া বেগম,(৬৫) মাতা জানান, “আমরা চাই না কোনো ছেলে জেলে থাকুক। স্থানীয়ভাবে সমাধান করে দুই ছেলেকে মিলিয়ে দিব। পুলিশ এসেও আমাদেরকে সুন্দরভাবে আশ্বাস দিয়েছে, কোনো হুমকি বা ঘুষ দাবি করা হয়নি।”
এসআই শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “সালমা বেগমের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে যা পেয়েছি তা রিপোর্টে উল্লেখ করেছি। আমাকে আবুল কালাম আবুকে গ্রেফতার করার করতে বলে এবং ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় রিপোর্ট দিতে বলে । মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী এম সি তে ৩২৩ ধারা আসে। আমি সালমা বেগম এর ভাই খোকন কে বলি আইনের বাহিরে আমি কোন কাজ করতে পারবো না আমি তদন্তে সাক্ষ্য প্রমাণে যা পেয়েছি তাই সঠিকভাবে রিপোর্ট করেছি। একথা শুনে সালমা বেগম আমার উপরে ক্ষিপ্ত হয় মিথ্যা ঘুষের অভিযোগ দেয় ।


