মো: সিপাউর রহমান,
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নস্থ শিকড়িয়া এলাকায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী আঞ্চলিক সড়কের (বাঁধ) নির্মাণে ভারত বিএসএফের বাধা।
টানা বৃষ্টিপাত ও ভারতের সীমান্ত এলাকা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারনে এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রাজাপুর ও শিকড়িয়া গ্রামের বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয়রা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
গত (৮ জুলাই) গভীর রাত থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে নেমে আসা ঢলে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের শিকড়িয়া এলাকার বেরিবাঁধের একটি সড়কের বাঁধ ভেঙে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে। এতে শিকড়িয়া, আলীনগরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বহু বসতবাড়ি, কৃষিজমিও । এতে দুর্ভোগে পড়েছেন শতাধিক পরিবার।
স্হানীয় সুত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে ভারী বর্ষণে মনু নদীর উপরিভাগ ভারতের পানির প্রবাহে ভেঙে যায় এই স্থানটি। এতে বাংলাদেশ স্হানীয়রা ও বিজিবির সদস্য এটি মেরামত করতে চাইলে ভারতের বিএসএফের বাঁধায় এখব পর্যন্ত বাধঁটি কাজ করা সম্ভব হয়নি।
সরজমিনে দেখা যায়, ভারত বিএসএফের বাধা সড়কের বাধ ভাঙ্গনের স্থানে বিজিবির সহযোগীতয় স্থানীয়রা বাশের সাকো তৈরি করেছেন, এপার থেকে ওপারে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভুক্তভোগী, ২০২৪ সালের ভারত থেকে আসা বন্যার পানিতে আমাদের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তাটি ভেংগে যায়। এবছরও বন্যার পানিতে আমাদের ঘরবাড়ি, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবী দ্রুত এই সড়কের বাধঁ নির্মাণ করে দেওয়া হোক।
বাধভাঙ্গনের খবর পেয়ে ৯ জুলাই বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন কুলাউড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার। তখন তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি স্থানীয়দের কে আশ্বাস দিয়েছেন যে দ্রুত এই সড়কের বাধ নির্মাণে চেষ্টা করবেন।


