মো: সোহেল রানা দীঘিনালা(খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি, তারিখ:-২৭-০৭-২৬খ্রি:
খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় সরকারী আদেশ অমান্য করে এনজিও ঋন আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার(২৭জুলাই) সকালে উপজেলার পশ্চিম কাঁঠালতলী এলাকায় এনজিও আশা‘র কর্মীরা ঋনের কিস্তি আদায় করা জন্য আশার বিভিন্ন দলভিত্তি সমিতির সদস্যদের কাছে ঋনের কিস্তি আদায় জন্য তাগিদ দিছে।
গত ১৩জুলাই মাইক্রোডিট রেগুলেটরী অথরিটি প্রধান নির্বাহী নিদের্শ লাইসেন্স,রেগুলেশন, পলিসি এন্ড ল বিভাগ এর পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ ক্ষুদ্রঋন সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাঙ্গামাটি. খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ঋনগ্রহীতাদের কিস্তি আদায় আগামী(৩মাস) স্থগিতকরন করা হয়েছে।
পঁশ্চিম কাঁঠালতলী এলাকার আশার ঋনগ্রহীতা মো: রমজান বলেন, আজ(২৭জুলাই) সকালে আশার এনজিও ঋন আদায় কর্মী সূর্য চাকমা কিস্তির আদায়ের জন্য আমার কাছে আসে। আমি কিস্তি দিয়েছে। কিন্তু সরকার ৩মাসের জন্য কিস্তি আদায় বন্ধ রাখছে শুনেছি। তারপরও তারা কিস্তির আদায়ে জন্য আসছে। এদিকে এনজিও কর্মীদের শতচাপের মুখ খুলতে চান না ঋন গ্রহীতারা। সম্পর্ক নষ্ট হলে পরে ঋন পাবেনা এমন যুক্তিতে নিরবে চাপ সামলাচ্ছে। তবে অনেক ঋনগ্রহীতারা বলেছেন বন্যার ক্ষতিগ্রস্থ‘র কারনে তেমন আয় হচ্ছে না। ঋনগ্রহীতারা কিভাবে সংসার চলবে আর এনজিও কিস্তি কিভাবে পরিশোধ করবেন এবিষয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।
ঋন আদায় কর্মী সূর্য চাকমা বলেন, আমাকে ম্যানেজার পাাঠিয়ে কিস্তি আদায়ের জন্য তাই আমি আসছি।
দীঘিনালা এনজিও আশা ব্রাঞ্চ এর ম্যানেজার সৈয়দ মো: ইয়াছিন বলেন, সরকার নিদের্শ অনুয়ায়ী তিন মাস ঋনের কিস্তি বন্ধ রয়েছে। তবে মাঠকর্মীরা এলাকায় গেছে কেহ যদি ইচ্ছা করে কিস্তির টাকা দেয় আদায় করা জন্য।
খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো :ইলিয়াস মেহেদী বলেন, সরকারি আদেশ অমান্য করে কোন এনজিও যদি ঋণের কিস্তি আদায় করে তদন্ত করে এসব এনজিও বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


