আবু রায়হান, মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ও ঝাঁপা ইউনিয়নে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর আওতায় পৃথক দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধভাবে কৃষিজমি থেকে মাটি উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার ৪ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে চালুয়াহাটি ইউনিয়নের মোবারকপুর মৌজায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কৃষিজমিতে মাটি খননের সময় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
এ সময় ‘তারা ব্রিকস’-এর সত্ত্বাধিকারী জামশেদ আলী কে ৫ বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৭ক ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
পরবর্তীতে দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে ঝাঁপা ইউনিয়নের ষোলখাদা গ্রামে স্থানীয় অধিবাসীদের দেওয়া তথ্য ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার অভিযোগের ভিত্তিতে একই আইনের আওতায় আরেকটি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ অভিযানে মিলন উদ্দীন (৪০) কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ০১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর অধীনে দুটি মামলায় মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
আইনের ৭ক ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতীত উর্বর কৃষিজমি থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিক্রি কিংবা কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের (টপ সয়েল) ক্ষতি হয়—এমন কোনো কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।


