ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়ার দীর্ঘদিনের তৃণমূল রাজনৈতিক কর্মকান্ড, সামাজিক সেবামূলক উদ্যোগ এবং ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরাধিকার সব মিলিয়ে ফুলবাড়িয়ার পরিচিত মুখ ফাহসিনা হক লীরা এখন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহের আলোচনার কে›ন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।
বর্তমানে তিনি ফুলবাড়িয়া উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি এবং ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, ভোটার শিক্ষা এবং নারী দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেত্বত্বে ২০০৪ সাল থেকে ফুলবাড়িয়ায় মহিলা দলের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ফাহসিনা হক লীরা শত শত নারীকে সংগঠিত করেছেন। তার উদ্যোগে নারী সাক্ষরতা কর্মসূচি, ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশিক্ষণ এবং মাতৃস্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে।
স্থানীয় উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক এড.আজিজুর রহমান জানান, তিনি শুধু রাজনৈতিক নেত্রী নন, একজন মানবিক সংগঠকও। বন্যা, করোনা মহামারি এবং বিভিন্ন দুর্যোগের সময় তিনি খাদ্য বিতরণ, আশ্রয় সহায়তা এবং জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবানে ফ্যামেলি কার্ড সম্পকে মিডিয়াতে নির্বাচনী প্রচারনায় ব্যাপক করে আলোড়ন সৃষ্টি করে দেশের জনগনের কাছে পৌছে দিয়েছেন।
রাজনৈতিক ঐতিহ্যের শক্ত ভিতও রয়েছে তার।
ফাহসিনা হক লীরা দেশের অন্যতম প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এ. কে. ফজলুল হক –এর নাতনী। তার বাবা এ.কে. ফয়জুল হক ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, যিনি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার– এর আমলে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার স্বামী আখতারুল আলমও ফুলবাড়িয়া বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নারী নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় প্রতিনিধি হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, তার দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল পর্যায়ে প্রহণযোগ্যতা এবং নারী উন্নয়নে অবদানের কারণে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য একজন শক্তিশালী দাবিদার।
ফাহসিনা হক লীরা মনে করেন, সুযোগ পেলে তিনি জাতীয় সংসদে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবেন।
উপজেলা বিএনপির সদস্য শামছুল হক সুমনসহ উপজেলার একাধিক নেতাকর্মী বলেন, “ফাহসিনা হক লীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে আছেন। তিনি এমপি হলে এলাকার নারী সমাজ এবং সাধারণ মানুষের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।”
পৌর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আবুল ফজলের মতে, রাজনৈতিক ঐতিহ্য, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার সমন্বয়ে ফাহসিনা হক লীরা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে একজন সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।


