এস.এম. রিয়াদুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি//
কুষ্টিয়ার খাজানগরের মোকামে গত সপ্তাহে সব ধরনের চালে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন মিল মালিকরা। তবে সেই প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে।
কুষ্টিয়া পৌর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বিক্রেতারা এখনও আগের দামে চাল বিক্রি করছেন। তাদের দাবি, সরবরাহ ঘাটতির কারণে মোকামে দাম কমলেও খুচরা পর্যায়ে তা পৌঁছাচ্ছে না। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকায় খুচরা ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে রাখছেন।
ক্রেতা শাহিনুর রহমান বলেন,টিভিতে দেখি চালের দাম কমছে, কিন্তু বাজারে এলে দেখি আগের দামই চলছে। আমাদের তো কোনো লাভ হচ্ছে না।
আরেক ক্রেতা রুবেল মিয়া জানান, যখন দাম বাড়ে তখনই একদিনে বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু কমলে সেই প্রভাব খুচরায় আসে না। এটা আমাদের সঙ্গে প্রতারণার মতো।
খুচরা ব্যবসায়ী আলামিন জানান,আমরা যে দামে মোকাম থেকে চাল আনি, তার সঙ্গে পরিবহন খরচ, ভাড়া, অন্যান্য খরচ যোগ হয়। তাই মোকামে সামান্য দাম কমলেও খুচরায় তার প্রভাব তেমন পড়ে না।
অন্যদিকে জেলা বাজার কর্মকর্তা বলেন, চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বাজার তদারকি চলছে। কোথাও অযৌক্তিক দাম নিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বর্তমানে কুষ্টিয়া পৌর বাজারে চালের খুচরা দাম: মিনিকেট সুপার ৭৪ টাকা কেজি,মিনিকেট ৬৮ টাকা,কাজল লতা ৬৪–৬৬ টাকা
,আউশ ৫৮ টাকা,বাসমতি ৯০ টাকা সব মিলিয়ে, মোকামে দাম কমলেও খুচরা বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি মিলছে না। ক্রেতাদের অভিযোগ, কার্যকর বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে দামের লাগাম টানা যাচ্ছে না।


