ঢাকাSaturday , 23 May 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • নড়াইলের কালিয়ায় পিআইও মোস্তফা কামাল বদলী হলেও কর্মস্থল ছাড়ছেন না

    admin
    May 23, 2026 10:09 pm
    Link Copied!

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মোস্তফা কামাল সরকারি বদলির নির্দেশনা পাওয়ার পরও কর্মস্থল ছাড়ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রকল্প সভাপতি ও ঠিকাদারদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। গত ৭ মে/২০২৬ বাংলাদেশ সচিবালয়ের উপসচিব (ত্রাণ প্রশাসন) সানজিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বদলীর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে এবং গাজীপুরের কাপাশিয়া অফিসে যোগদানের নির্দেশনা রয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত এ কর্মকর্তা বদলীর আদেশ হওয়ার পরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে জুন মাস পর্যন্ত বর্তমান কর্মস্থলে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
    এতে বদলির পর স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে হতাশা দেখা দিয়েছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মোস্তফা কামাল পূর্বের প্রচলিত নিয়ম পরিবর্তন করে প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন শর্ত আরোপ করেন। তিনি প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর সভাপতির ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিল প্রদান বাধ্যতামূলক করেন। পাশাপাশি, প্রতি লাখ টাকায় ১৫ হাজার টাকা ঘুষ ছাড়া বিলের চেকে স্বাক্ষর করতেন না বলেও অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান, কিছু এলাকায় তিনি নিজস্ব লোকজনের মাধ্যমে কাজ করিয়ে নিয়েছেন। এতে প্রকৃত শ্রমিক ও স্থানীয় অংশগ্রহণকারীরা বঞ্চিত হয়েছেন।
    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের বিল পরিশোধেও গড়িমসির অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পরও বিল ছাড় না দিয়ে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরে প্রতিটি প্রকল্পের বিপরীতে ১৫ শতাংশ নগদ অর্থ দিতে বাধ্য হন প্রকল্প সভাপতিরা। এছাড়া, যেসব প্রকল্পে ভ্যাট ও আয়কর প্রযোজ্য নয়, সেসব ক্ষেত্রেও ১০ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ আয়কর দেখিয়ে মোট ১৫ শতাংশ অর্থ কেটে রেখে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ১০ মে/২০২৬ রিলিজ চেয়ে আবেদন করেছি, আমাকে রিলিজ দিলে চলে যাব। এছাড়া ১৫ শতাংশ ঘুষ আদায়সহ অন্যান্য অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’ স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বদলির আদেশ হওয়ার পরও কেন তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করে বর্তমান উপজেলায় অবস্থান করছেন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST