মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ
যশোরের কেশবপুর, অভয়নগর ও মনিরামপুর উপজেলার কয়েক লক্ষ মানুষের গলার ফাঁস হয়ে দেখা দিয়েছে ভবদহ। এক সময়ের আশির বাদ এখন মানুষের গলার ফাঁস হয়ে দেখা দিয়েছে ভবদহ।
পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে এই তিন উপজেলার পানি নিস্কাসনের একমাত্র উপায় ভবদহ সেই ভবদহ পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে পানি না সরায় কারণে বর্ষা মৌসুম আসলেই দেখা দেয় বন্যার। ফলে এই তিন উপজেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ পানি বন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। জলাবদ্ধতা স্থায়ী জলাবদ্ধতায় রুপ নিয়েছে বিশেষ করে মনিরামপুর উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন, কুলটিয়া ইউনিয়ন, নেহালপুর ইউনিয়ন, ও মনিরামপুর ইউনিয়নের মানুষ বেশির ভাগ মানুষ স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার। তাদের যাতায়াতের একমাত্র উপায় বাশের সাকো। পাকা রাস্তার উপর হাটু পানি, অধিকাংশ মানুষের উঠানে হাটু পানি বা আবার কোথাও কম বা বেশি পানি।
গো খাদ্য সহ বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে পানি বন্দী মানুষের, পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে, রান্না ঘরে পানি ওঠায় দিনে একবার রান্না করে তিন বার খাচ্ছে অনেকে পরিবার। সরেজমিনে ঘুরে দেখে যায় পানি বন্দী মানুষের জীবন যাপনের এমন করুন দৃশ্য ও ভবদহের সুইস গেটে বি এ ডিসি ( বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড) পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে পানি নিস্কাসনের কাজ চলছে।
ভুক্ত ভোগী রা বলেন পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে পানি নিস্কাসন করে আমাদের উঠানের পানি নেমেযেতে সময় লাগবে হয়তো কয়েক মাস।
পানি বন্দী মানুষের একটাই চাওয়া তারা এই জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান চাই, তারা আরও বলেন এই সরকারের সময়ে যদি ভবদহের স্থায়ী কোন সমাধান না হয় তাহলে হয়তো তারা আর কোনদিন এই ভবদহের স্থায়ী কোন সমাধান পাবেনা এমনটাই করছে আশঙ্কা করছে তারা। দীর্ঘ কয়েক মাস পনি বন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করলেও তাদের আয়ও পর্যান্ত তাদের কেউ কোন খবর বা খোঁজ খবর নিতে আসেনি।


