এসএম হোসেন, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি//
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পৌর শহরের ৪ নং ওয়ার্ড পুকুরপাড়ের মোঃ খোরশেদের ছেলে মোঃ রুবেল (বৃহস্পতিবার) ২১ আগষ্ট সন্ধ্যায় শাহজাদপুর থানা পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। তিনি শাহজাদপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতা।
মোঃ রুবেল পৌরসভার একই এলাকার ৪নং ওয়ার্ড পুকুরপাড় গ্রামের কাপড় ব্যাবসায়ী সুশীল ঘোষের কাছ থেকে চার দফায় বিকাশের মাধ্যমে চাঁদা নেন।
জানা যায়, গত কয়েক মাস আগে শাহজাদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব খন্দকার মাসুদ রানা পরিচয় দিয়ে ফোন করেন রুবেল, ঢাকার একটি হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছে বলে ১০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাতে বলেন।
কাপড় ব্যাবসায়ী সুশীল ঘোষ ভয়ে ৫ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন।
এক পর্যায়ে টাকা দিতে দিতে অতিষ্ঠ হয়ে অন্য ব্যাবসায়ীদের কাছে বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ করেন। তারা সুশীল ঘোষকে বলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব, খন্দকার মাসুদ রানা এমন ব্যক্তি নন। ব্যাবসায়ীরা আরও বলেন, ৫ আগষ্টের পরে খন্দকার মাসুদ রানার চাঁদাবাজি করেছে এমনটা আমরা শুনিনি। পরে সুশীল ঘোষ মোঃ রুবেলকে ফোন করে আরও টাকা দিবেন বলে দেখা করতে বলেন। স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতা রুবেল দেখা করতে অস্বীকার করলে সুশীল ঘোষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব, খন্দকার মাসুদ রানার কাছে গিয়ে বিষয়টি খুলে বলেন। ঘটনা শুনে খন্দকার মাসুদ রানা শাহজাদপুর থানা পুলিশকে ফোন করে আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন।
পরে ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরপরই ওসি আসলাম পুলিশী অভিযান চালিয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোঃ রুবেলকে গ্রেফতার করে শুক্রবার শাহজাদপুর কোটে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব খন্দকার মাসুদ রানা বলেন, দলে চাঁদাবাজদের কোন ঠাঁই হবে না। দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অপকর্মে লিপ্ত হলে দায় তাকেই নিতে হবে।
আহবায়ক, শাকিক চৌধুরী বলেন বিএনপিতে চাঁদাবাজদের কোন ঠাঁই হবেনা। কেউ যদি চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে যায় দায় তার নিজেকেই নিতে হবে।


