(নিজস্ব প্রতিবেদক)
পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ১১ নং সোনাতনী ইউনিয়নবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাঙালিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন গণমানুষের প্রিয় মুখ এম সোলায়মান হোসেন। ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলা নববর্ষকে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও নতুন জাগরণের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব। শত বছরের ঐতিহ্য বহনকারী এই দিনটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম উজ্জ্বল অনুষঙ্গ। পুরোনো বছরের সকল দুঃখ, গ্লানি, ব্যর্থতা ও হতাশাকে পেছনে ফেলে নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন এবং নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই পহেলা বৈশাখ। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক ভালোবাসা আরও সুদৃঢ় হয়।
এম সোলায়মান হোসেন বলেন,
“পহেলা বৈশাখ কেবল একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রতীক। এই দিনে আমরা নতুন প্রত্যয়ে নিজেদের গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করি। আমি কামনা করি, নতুন বছর সোনাতনী ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও সফলতার নতুন দিগন্ত।”
তিনি আরও বলেন, সোনাতনী ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এই জনপদের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক বন্ধন সবসময়ই প্রশংসনীয়। নতুন বছরের এই শুভক্ষণে তিনি সকলকে হিংসা-বিদ্বেষ, বিভেদ ও সংকীর্ণতা ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করার আহ্বান জানান।
শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বিশেষভাবে তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুন বছরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও সকল অন্যায় থেকে দূরে থেকে একটি সুন্দর, শিক্ষিত ও আধুনিক সমাজ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছর সোনাতনী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
পরিশেষে এম সোলায়মান হোসেন আবারও ১১ নং সোনাতনী ইউনিয়নবাসীসহ সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন—
“শুভ নববর্ষ ১৪৩৩। নতুন বছরের প্রতিটি দিন হোক আনন্দ, আশা, সাফল্য ও সমৃদ্ধিতে ভরপুর।”


