মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের কামারপাড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের নুরপুর ফকিরপাড়া গ্রামে পরকীয়ায় নিশি রাত্রি উদযাপন কালীন স্থানীয়দের হাতে আটক
উপজেলার জামালপুর মজিদিয়া দ্বি মুখী উচ্চ বিদ্যালের শিক্ষক কামরুজ্জামান সুমন ও কামারপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেশালীডাঙ্গা কে এন উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষকা কামনুর নাহার সুলতানা স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ ইতিপূর্বেও তাঁদের কে আটক করতে ধরে বাউন্ডারি টপকিয়ে পালিয়ে জান শিক্ষক সুমন ঘটনার কালীন ১৮ নভেম্বর রাত্রি আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় শিক্ষক সুমন কামনুর নাহার সুলতানার বাড়ীর রাস্তায় মোটরসাইকেল নিয়ে তিন চার বার যাতায়াত করে লোকচক্ষু আড়ালে মোটরসাইকেল এর লাইট অফ করে চুপচাপ বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করেন। যাতায়াতে সন্দেহজনক মনে হলে গোপনে দূর থেকে দেখা স্থানীয় ক’জন যুবক বিষয়টি লক্ষ্য করে গাড়ী খোঁজখবর করতে ধরেন ও স্থানীয় অনেকেই সেখানে উপস্থিত হয়ে খোঁজ খবর করে দেখতে পান মোটরসাইকেল টি শিক্ষিকার বসত বাড়ীর ভিতরে দেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও আশপাশের গণ্যমাণ্য লোকজনকে অবগত করলে সকলে উপস্থিত হয়ে ডাকাডাকি করে গেট খোলার জন্য বললে শিক্ষিকা বাড়িতে প্রবেশের গেট অশিকার করেন ও বলেন যে ভিতরে কেহ নেই। পরবর্তীতে ভিতরে অবস্থানরত শিক্ষক শিক্ষিকা তাঁদের বহিরাগত তিন জন ব্যক্তিকে ডেকে নেন তেনারা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে দীর্ঘ তিন ঘন্টা অতিবাহিত করেন ও শিক্ষক সুমন কে বাউন্ডারি টপকাইয়ে বাহির করে দিতে অবাধ চেষ্টা করেন কিন্তু চারপাশ থেকে বাড়ী ঘিরিয়ে রাখা বিক্ষুব্ধ জনতার চাপে তা করতে না পারায় অবশেষে প্রবেশ গেট খুলে শিক্ষক সুমন কে দেখতে পান বলে জানা যায় । এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করেন,
এ ঘটনার খবর পেয়ে রাত্রে কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ আর এম মাহফুজার রহমান রাশেদ ২জন গ্রাম পুলিশ কে ঘটানাস্থলে পাঠিয়ে দেন তাহারা সারা রাত পাহারা দিলে পুলিশ কে খবর দিলে ১৯ শে নভেম্বর বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় থানা পুলিশ তাঁদেরকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।



