মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি//
গাইবান্ধা সদর উপজেলা বাদিয়াখালী ইউনিয়নের রিফাইতপুর গ্রামে স্বামীর ধারালো চুরির আঘাতে স্ত্রী সোনিয়া বেগম আহত গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি
সোনিয়া পারভিন বাদিয়াখালী ইউনিয়নের রিফাইতপুর গ্রামের বিশিষ্ট নার্সারি ব্যবসায়ী মোঃ সরোয়ার হোসেনের মেয়ে,
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার প্রোড়াগ্রাম এলাকার মোঃ মতিয়ার রহমানের ছেলে ২ সন্তানের জনক মোঃ সুমন মিয়ার সঙ্গে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের রিফাইতপুর গ্রামের মোঃ সরোয়ার হোসেনের মেয়ে সোনিয়া পারভিন সঙ্গে ধুমধাম করে বিয়ে হয়,
বিয়ের কিছু দিন যেতে না যেতে সোনিয়া পারভিন উপর শুরু হয় স্বামী সুমন মিয়ার অত্যাচার, সে তার বিবাহিত স্ত্রী সোনিয়া পারভিনকে রেখে অন্য এক মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া আসক্ত হয়। বাধা দিলে এমত অবস্থায় প্রবাসী সুমন মিয়ার স্ত্রী সোনিয়া বেগম কে প্রতিনিয়ত মারধর ও হুমকি ধামকি দিতে থাকে এবং এক পর্যায়ে তাহার স্ত্রীকে বেধড়ক মারপিট করে বাড়ি থেকে বাহির করে দিতে বাধ্য হয়, কোন উপায় না পেয়ে মারপিটের ভয়ে সোনিয়া পারভিন তার বাবা বাড়িতে চলে আসে, কিছু দিন পর প্রবাসী সুমন মিয়া তার স্ত্রীকে নিতে আসে, মারধরের ভয়ে বাবার বাড়ি থেকে যেতে না চাওয়ায় কাছ থেকে একটি ধারালো ছুরি বের করে স্ত্রী সোনিয়া পারভিনের গলায় কোপ দিলে সোনিয়া পারভিন হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলে হাতের কব্জিতে গিয়ে লাগলে বাচার তাগিদে চিৎকার দেয়, চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে দেখতে পায় সোনিয়া পারভিনের কেটে যাওয়া হাত দিয়ে রক্ত বাহির হচ্ছে, সে তখন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে, পাশে থেকে একজন সোনিয়ার বাবা সরোয়ার হোসেন কে মূটোফোনে জানালে এসে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে জরুরীভাবে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে,
ঘটনার পর থেকে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। থানায় অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।”
স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করেছেন, সন্ত্রাসী সুমন মিয়া কে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এ ব্যাপারে সোনিয়ার বাবা গাইবান্ধা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন


