আবু রায়হান,মণিরামপুর (যশোর):
দক্ষিনাঞ্চলের পাঠক প্রিয় দৈনিক যশোর বার্তা সহ স্থানীয় ও কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় চলতি মাসের ১ তারিখে ৩১ বছরের ঝুকিপূর্ণ উল্লেখ করে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের হরিহর নদের উপর নির্মিত ভগুর ‘মণিরামপুর সেতু’টি নজরে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট(সওজ) কর্তৃপক্ষের উর্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণের সংবাদ প্রচারের ৮দিনের মাথায় মঙ্গলবার (৯ই জুন) সেতুটি পরিদর্শন কেছে ঢাকা ও যশোরের যৌথ একটি প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার(৯ই জুন) সকালে ঝুকিপূর্ণ সেতু পরিদর্শনে আসেন, সড়ক ও জনপদের ( সওজ) সেতু সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী নকশা (ঢাকা) স্বপ্না বেগম,নির্বাহী প্রকৌশলী নকশা (ঢাকা) মোঃ শরিফুল ইসলাম সহ একজন সহকারি প্রকৌশলী সরাসরি পরিদর্শন করেছে বলে চলতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সওজের যশোর জেলার নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী শাম্মী সুলতানা।
তিনি আরো জানান, নকশার কাজ চলছে অচিরেই ব্রিজটি নতুনরূপে ফিরবে। পরিদর্শন টিম যশোর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (সওজ) এর সাথে পরিদর্শন পরবর্তী জরুরী মিটিং সেরে গেছে।
জনস্বার্থে ঝুকিপূর্ণ ব্রিজটি কর্তৃপক্ষের নজরে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে পরিদর্শন টিম সাংবাদিক এসএম তাজাম্মুল, আবু রায়হান সহ মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যদের সাধুবাদ জানান।
বলাবাহুল্য, ‘মণিরামপুর সেতু’ নামক বাধাঘাটার এ ব্রিজটির নাম ফটক’টি তথ্য অনুসন্ধানী চলতি এ প্রতিবেদক বেশ সময় ধরে খোজাখুজির পর অস্পষ্টকারে খুজে পাই। যে নাম ফলকে পড়েছিলো কয়েকটি পোস্টার ও ময়লার আবরন আর কাদার প্রলেপ। টিক নাম ফলকের মতই অযত্ন অবহেলায় ‘মণিরামপুর সেতু’টি নির্বিঘ্নে চলাচলের পরিবর্তে মৃত্যু কূপে পরিনত হলেও সেটা দেখার মতো এখন কেউ নেই। উল্লেখ্য,প্রায় ৩ যুগ(৩১বছর) আগের মণিরামপুর সেতুটি ১৯৯৫ সালের ১৮ই আগষ্ট উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম।


