ঢাকাTuesday , 11 November 2025
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • চৌদ্দগ্রামে ঐতিহাসিক বেতিয়ারা ৫৪ তম শহীদ দিবস পালন

    admin
    November 11, 2025 7:04 pm
    Link Copied!

    জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

    আজ ৫৪ তম বেতিয়ারা শহীদ । ১৯৭১ সালের এ দিনে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের বেতিয়ারা এলাকায় ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ গেরিলা বাহিনীর ৯ বীরযোদ্ধা পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘনাটি স্মরনে রাখতে প্রতি বছর ১১ নভেম্বর পালিত হয় বেতিয়ারা শহীদ দিবস। আজ সকালে শহীদ পরিবারের সদস্যরা এবং মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিপরিষদ উদ্যোগে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়,।।

    মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিরক্ষা পরিষদের সভাপতি জিয়াউল হক জিবুর সভাপতিত্বে এই সময় প্রধান আলোচক ছিলেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। এতে আরো আলোচনা করেন কমিনিষ্ট পার্টির সাবেক সভাপতি কমরেড শাহ আলম।। নারায়নগঞ্জ খেলাঘর কমিটির সভাপতি জহির আহমেদ জহির। কেন্দ্রীয় কমিনিষ্ট পার্টির সদস্য পরেশকর। ফেনী কমিনিষ্ট পার্টির সভাপতি মহিবুল ইসলাম রাসেল।। কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার যুগ্ন আহ্বায়ক ইউনুস আলী। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সদস্য সচিব নিজামুল হক মজুমদার।
    এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জগ্নাথ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম,, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান খোকন,, , আলকরা ইউনিয়ন মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডার পেয়ার আহম্মদ। আব্দুল মতিন প্রমুখ।
    বেতিয়ারায় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে নিহতরা হলেন; নিজাম উদ্দিন আজাদ (ছাত্রনেতা), সিরাজুল মনির, জহিরুল হক দুদু, মোহাম্মদ সফিউল্যাহ, আওলাদ হোসেন, আবদুল কাইউম, বশিরুল ইসলাম, মো. শহীদ উল্যাহ ও কাদের মিয়া।
    এ সময় আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মাতৃভূমিকে শক্রমুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির উপদেষ্টা সভাপতি মনজুরুল আহসান খানসহ যৌথ গেরিলা বাহিনীর ৭৮ জন সদস্য ভারতের বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নেন। দেশে ফিরে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে তারা ১০ নভেম্বর রাতে চৌদ্দগ্রাম সীমান্তবর্তী ভৈরবনগর সাব ক্যাম্পে পৌঁছান।
    ১১ নভেম্বর রাতেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক শক্রমুক্ত কিনা পরীক্ষা করার জন্য স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের ও আবদুল মন্নানকে ওই সড়কে পাঠানো হয়।
    সিগনালের দায়িত্বে থাকা কাদের ও মান্নান মহাসড়ক শক্রমুক্ত বলে রাত ১২টায় মূল বাহিনীকে জানায়। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ গেরিলা বাহিনীর ৩৮ জনের এ দলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অতিক্রমের জন্য এগিয়ে আসে। এ সময় সড়কের পশ্চিম পাশে গাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকা হানাদার বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর অতর্কিতে ব্রাশ ফায়ার শুরু করে। এতে ৯ গেরিলা যোদ্ধা ঘটনাস্থলেই শহীদ হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

    এক সপ্তাহ পর স্থানীয় লোকজন ধানক্ষেত থেকে শহীদদের গলিত লাশগুলো উদ্ধার করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে একটি গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেন। ২৮ নভেম্বর চৌদ্দগ্রামের জগন্নাথদীঘি নামের ওই অঞ্চল শক্রমুক্ত হয়।
    পরদিন ২৯ নভেম্বর স্থানীয় লোকজন ও মুক্তিযোদ্ধারা গর্ত থেকে লাশগুলো উঠিয়ে জানাজা দিয়ে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে দ্বিতীয়বার দাফন করেন।
    জানাযায় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হলে ৯ শহীদের গণকবর ও স্মৃতিস্বম্ভ মহাসড়কের মধ্যে পড়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের অনুরোধে প্রকল্পের ঠিকাদার ২০১৪ সালের জুনে গণকবরটি মহাসড়কের পূর্ব পাশে সড়ক ও জনপথের ৪০ শতক জায়গায় স্থানান্তর করেন।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST