মাহবুব হাসান, ঝালকাঠি থেকে//
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় সুবিদপুর ইউনিয়নের তালতলা বাজার সংলগ্ন পশ্চিম গোদন্ডা গ্রামে সোমবার (২৭ অক্টোবর) গভীর রাতে ঝালকাঠি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আয়োজন করে একটি বড় মাদকবিরোধী অভিযান। অভিযানে কসাই ফারুকের ছেলে খলিলকে গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ আটক করা হয়।
আওয়ামীস্বরূপ এলাকাবাসী দরাচ্ছে, খলিল দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা, ইহাবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের পাইকারি ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তার মাদকচক্রের ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বহু কবেই তরুণ নেশার জালে পড়ে গেছে — “সে যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে” বলে এলাকায় চলছে ক্ষোভ ও উদ্বেগ।
স্থানীয় এক সূত্র বলেছে, খলিল গাছের ব্যবসা, মাছের ঘের, মুরগি ও গরুর খামার দেখিয়ে লোক দেখানো ব্যবসা চালায়; মূল আয়ই হচ্ছে মাদকের ব্যবসা। ওর গরু-ফার্ম, মুরগির খামার — সব জায়গায় মাদক রাখা হতো বলে স্থানীয়রা জানান। তারা আরও দাবি করেছে যে খলিলের পরিবারের সদস্যরা খুচরা বিক্রেতার কাজ করে।
পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, খলিলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। অতীতে নলছিটি থানা পুলিশ, বরিশালের র্যাব-৮ এবং ঝালকাঠি ডিবি একাধিকবার অভিযান চালিয়েও তিনি জামিনে বের হয়ে আবারও ব্যবসা শুরু করেন—এটি এলাকার নিরাপত্তা ও সামাজিক অবক্ষয়ের মূল কারণ হিসেবে লোকজন দেখছে। স্থানীয়রা খলিলের বড় ভাই আল-আমিন ও ফারুক কসাই—তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদকসংক্রান্ত অভিযোগ ও মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
ডিবি পুলিশ আধিকারিকরা জানান, অভিযানের পর জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ বলেছে, “মামলার নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে এলাকাবাসী মনে করেন শুধুমাত্র পুলিশি অভিযানই যথেষ্ট নয়। তারা প্রশাসন ও সমাজের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে—আইনি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা না হলে মাদকবিরোধী লড়াই অসম্পূর্ণ থাকবে।
স্থানীয়দের আহ্বান (অনুরোধ):
1. মাদকবিরোধী আইনি পদক্ষেপে সকলকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসার অনুরোধ।
2. স্কুল, কলেজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনত



