ঢাকাThursday , 12 March 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • ঝিকরগাছায় এম সি ডি সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

    admin
    March 12, 2026 9:30 pm
    Link Copied!

    অনুসন্ধান প্রতিবেদন

    যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার এম সি ডি সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজের ক্ষমতা খাটিয়ে কোচিং বাণিজ্য করার অভিযোগ উঠেছে।

    প্রধান শিক্ষক মোঃ রবিউল ইসলাম এর নির্দেশে সহকারী শিক্ষক ও বহিরাগত কোচিং শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য করে চলেছেন। এদের ক্ষমতার উৎস কি, তাহলে প্রধান শিক্ষকই, এদের ক্ষমতার অধিকারী যার নির্দেশে এই অনিয়ম করতে পারছেন বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত তিন থেকে চার মাস যাবত ওই স্কুলের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরে এম সি ডি সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং বহিরাগত কোচিং শিক্ষকদের দেখা গেছে সকাল ৯টায় কোচিংয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানো হয় এবং বিকাল ৩টা থেকে চারটা পর্যন্ত অত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর এবং চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীর ছেলে মোঃ উচমান স্কুলের ভিতরে অনেক দিন ধরে কোচিং বাণিজ্য করে আসছে।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বহিরাগত কোচিং শিক্ষক স্কুলের ক্লাস রুমে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াচ্ছেন, অত্র শিক্ষা -প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর কে, পাওয়া যায়নি তবে সাংবাদিক যাওয়ার কিছুক্ষণ আগমুহূর্তে কোচিং শেষ করে চলে যান তিনি। ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বলেন আমরা এই স্যারদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে কোচিংয়ে পড়ছি, ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন আমরা স্যারকে প্রতি মাসে কেউ ৩০০/টাকা আবার কেউ ৪০০/ টাকা বা তার ও বেশি নেওয়া হয় কিনা আমাদের জানা নেই, ছাত্র-ছাত্রীরা আরো বলেন সকালেও কোচিংয়ে পড়ানো হয় এবং বিকালেও পড়ানো হয়।

    বহিরাগত কোচিং শিক্ষক মোঃ উচমান বলেন আমার বাবা এই স্কুলে চাকরি করার সুবাদে আমাকে ছেলে-মেয়েদের প্রাইভেট পড়ানোর অনুমতি‌ দিয়েছেন প্রদান শিক্ষক মোঃ রবিউল ইসলাম, তিনি বলছেন যে তুমি আমার এই স্কুলের একটি ক্লাসে প্রাইভেট পড়াও যদি কেউ এসে জিজ্ঞেস করে তাহলে তুমি বলে দিবা যে প্রধান শিক্ষক পারমিশন দিয়েছে আপনারা তার সাথে কথা বলুন।

    কোচিং শিক্ষক আরো বলেন আমি অনেক দিন ধরে প্রাইভেট পড়িয়ে আসছি আমাকে এখনো কেউ কিছু বলে নাই।

    স্কুলের ভিতরে গিয়ে দেখা গেছে ক্লাসে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন, সেই ক্লাসের দুটি ফ্যান চলছে এবং বাল্ব জ্বলতেও দেখা গেছে তাকে প্রশ্ন করা হয় আপনি যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন এই বিদ্যুতের বিল কে দেয়,সে বলেন আমার কোন টাকা দিতে হয় না, বিদ্যুৎ বিল স্কুল থেকে দেওয়া হয়।

    মোঃ উচমান বলেন আমি অনেক আগের থেকে স্কুলে প্রাইভেট পড়াতাম মাঝে কিছু দিন বন্ধ ছিল আবার জানুয়ারি মাস থেকে প্রাইভেট পড়ানো শুরু করেছি এই বিষয়ে আপনাদের যদি আর কিছু জানার থাকে তাহলে আপনারা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলেন আমার আর কিছু বলার নেই।

    এম সি ডি সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীরকে অনেকবার ফোন করা হয় তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    এম সি ডি সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রবিউল ইসলামের সাথে ফোনে কথা বলা হয় তিনি বলেন স্কুলে কোচিংয়ে ছাত্র ছাত্রীদের পড়ানো হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাইভেট পড়ানো সরকারি ভাবে নিষেধ আছে আমিও জানি তার পরেও কি করব বলুন ছাত্র ছাত্রীরা এবং অভিভাবকরা এমন ভাবে বলেন না করতে পারিনি তাই স্কুলের সহকারী শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াচ্ছেন এই বিষয়টি সঠিক আছে।

    প্রধান শিক্ষককের কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনি তো জানেন ৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করেছেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, তাহলে কি আপনি শিক্ষামন্ত্রীর বন্ধ ঘোষণাকে অমান্য করে আপনার স্কুলে আপনি কোচিং সেন্টার চালু করে রেখেছেন, তিনি বলেন আমি শুনেছি যে কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, ঠিক আছে যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে আগামীকাল থেকে প্রাইভেট পড়ানো নিষেধ করে দেওয়া হবে আর প্রাইভেট পড়াবে না।

    আজ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ সকালেও স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়াতে দেখা গিয়েছে, প্রধান শিক্ষক মোঃ রবিউল ইসলাম সরকারি আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের বলেন আমি স্কুলে কোচিং সেন্টারে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ানোর জন্য অডার দিয়েছি আমার অডারেই স্কুলে কোচিংয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানো হয়। আপনারা যা লিখতে মন চায় আমার বিরুদ্ধে এবং সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে লিখতে থাকেন, আপনারা আমার স্কুলের বিরুদ্ধে লিখে যদি কিছু করে দেখাতে পারেন তাহলে দেখান আমার কোন সমস্যা নাই।

    প্রধান শিক্ষক মোঃ রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের আরো বলেন আপনারা সাংবাদিক নিউজ করে কি করতে পারেন তা আমার ভালো ভাবে জানা আছে আমার কি করতে পারেন দেখাবেন আমিও দেখতে চাই সাংবাদিক আমার বিরুদ্ধে লিখালিখি করে আমার কিছু করতে পারে কিনা।

    জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: মাহফুজুল হোসেন বলেন আমাদের সরকারি ভাবে নিষেধ রয়েছে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বা প্রাইভেট পড়ানো যাবে না, এবং সব শেষ আমাদের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় যে ঘোষণা দিয়েছেন ৯ মার্চ থেকে ২৮ মাঠ পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। তিনি আরো বলেন যদি এম সি ডি সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য করে থাকেন তাহলে তার বিষয়টি আপনার কাছ থেকে জানতে পারলাম আমি প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ঝিকরগাছা উপজেলার এম সি ডি সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে দেখতে চোখ রাখুন।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST