(নিজস্ব প্রতিবেদক)
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, সবুজ বিপ্লবের উদ্যোক্তা ও মানবিক যুবনেতা কামরুল হাসান হিরোক দীর্ঘ ৭ মাস ৪ দিন কারাভোগের পর হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। তার মুক্তির খবরে শাহজাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, বিএনপি দলীয় সাংসদ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের বাড়ি ভাঙচুর এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তুষারের দায়ের করা একটি বিস্ফোরক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর অবশেষে উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করে তিনি মুক্ত হন।
মুক্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় কামরুল হাসান হিরোক বলেন, “আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একজন রাজনৈতিক কর্মী। বাঙালি জাতির মহাপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আদর্শ বুকে ধারণ করেই রাজনীতি করি।”
তিনি আরও বলেন, “দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে বাংলাদেশকে একটি গোলামি রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবেই আমার নামে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েই আমাকে কারাবরণ করতে হয়েছে।”
তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকায় এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণেই একটি মহল তাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে এসব মামলায় জড়িয়েছে। তবে তিনি ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা রেখে আইনি লড়াই চালিয়ে গেছেন এবং শেষ পর্যন্ত আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।
মুক্তির পর তার অনুসারী ও নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় অনেকে বলেন, কামরুল হাসান হিরোক সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন এবং এলাকার কৃষি, পরিবেশ ও যুবসমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে “সবুজ বিপ্লব” কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতায় ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার মুক্তির মধ্য দিয়ে শাহজাদপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়তা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, হিরোকের মুক্তিকে কেন্দ্র করে তার সমর্থকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।


