নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার ১০ নং চাঁচড়া ইউনিয়নের তপশীডাঙ্গা গ্রামে বসবাস কারি শাহানারা খাতুন কন্যা শিশু উদ্ধারের জন্য ভুয়া ঠিকানা উল্লেখ্য করে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা করেছেন শিশুর মাতা।
মোছাঃ শাহানারা খাতুন,(৩১) পিতা মৃত: আবু তালেব, গ্রাম তপশীডাঙ্গা, থানা মনিরামপুর, জেলা যশোর,বাদী এই ভুয়া ঠিকানা দিয়ে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা দিয়েছেন। অনুসন্ধান টিম তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে মনিরামপুর থানা এলাকায় তপশীডাঙ্গা নামে এই ধরনের কোনো গ্রাম পাওয়া যায়নি বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তপশীডাঙ্গা নামে কোনো গ্রাম মনিরামপুর থানা এলাকায় নেই।
পরে জানা যায়। মোছাঃ শাহানারা খাতুনের জন্মস্থান, যশোর সদর উপজেলার ১০ নং চাঁচড়া ইউনিয়নের তপশীডাঙ্গা গ্রামে অথচ তিনি ভুয়া ঠিকানা উল্লেখ্য করে সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম (সবুজ) এর হয়রানি করার উদ্দেশ্যে, যশোর বিজ্ঞ নিবার্হী আদালতে পি,৮২৮/২৫ মিথ্যা মামলা করিয়াছে।
সরেজমিনে অনুসন্ধান টিমের সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের জন্য উক্ত বাদীনির বাড়িতে গেলে প্রকৃতরহস্য উদঘাটন হয়। উক্ত অনুসন্ধানে জানা যায়,যে শাহানারা খাতুনসহ সাক্ষী যাদের দিয়েছেন সকলের ভুয়া ঠিকানা উল্লেখ্য করে এই মামলা করেছেন তিনি। আরো জানা যায় ৪ নাম্বার সাক্ষী মোছাঃ রুমা খাতুন এই মামলার বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি বলেন আমি এই মামলার সাক্ষী তা আমার জানা নেই।
শাহানারা খাতুন শুধু ভুয়া ঠিকানা দিয়ে মিথ্যা মামলা করেছেন তা নয় তিনি নির্বাচন অফিসে গিয়ে তথ্য গোপন করে এন আইডি কার্ড করেছেন। নির্বাচন অফিসে তথ্য নিয়ে জানা গেছে তিনি বিবাহিত হয়েও নির্বাচন অফিসে অবিবাহিতা পরিচয় দিয়ে তথ্য গোপন রেখে এই এন আইডি কার্ড করেছেন, যা সরকারি আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজ এর সাথে শাহানারা খাতুনের বিয়ে হয় ২০/০৩/২০১৩ সালে, অথচ শাহানারা মামলায় উল্লেখ্য করেন বিয়ের তারিখ ১৮/০১/২০১৪ সাল তিনি বিয়ের তারিখের জায়গায় ও ভুল তথ্য দিয়েছেন। আমাদের পারিবারিক দাম্পত্যি জীবন ভালো ভাবে চলছিল কিন্তু শাহানারার মাতা ও ছোট ভাই হাসানুজ্জামানের কুপরামর্শ শুনে আমার অনুপস্থিতে আমাকে কিছু না বলে মেয়ে নিয়ে তার পিতার বাড়িতে চলে যায়। আমি মেয়ে এবং মেয়ের মাকে আনার জন্য একাধিক বার চেষ্টা করছি তবে আমার সাথে অস্বীকার করেন। যতো বার আমার মেয়েকে আনতে গিয়েছি ততবার দেখতে পেয়েছি আমার মেয়ে অযত্নে অবহেলায় খাওয়া দাওয়ার সমস্যা এবং আমার মেয়েকে পথশিশুর মতো দেখার পরে আমার মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে আসার চেষ্টা করি এই কারণেই আমি ওই খানে গিয়ে জানতে পারি মেয়ের মা শাহানারা বাড়িতে দিন ও রাত কখনোই থাকে না বাড়ির আশেপাশে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি, সে আরিবপুর শুভ মেডিকেল কেয়ারে থাকেন আমি আরো জানতে পারি শুভ মেডিকেল কেয়ার থেকে শাহানারা খাতুন বের হয় না।
শাহানারা খাতুন,শুভ মেডিকেল কেয়ারে রাত-দিন ২৪ ঘন্টা থাকে এবং শাহানারার মাতা বাড়িতে থাকে না, সে কারণে আমার কন্যা সন্তান মানবেতর অযত্নে অবহেলায় জীবন-যাপন করতে দেখা যায়। আমি সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজ আমার মেয়ের এই অবস্থা দেখে আমি আমার সালক হাসানুজ্জামানের সাথে কথা বলি যে তোর বোন তো এখন শুভ মেডিকেল কেয়ারে থাকে তোর মাও ঠিক মতো বাড়িতে থাকে না, তাহলে আমার মেয়ের কি হবে তুই বল এই কথা শুনে সালক ভিকটিমের মামা বলে আমার বোনের সাথে কথা বলে আপনাকে জানাবো।
হটাৎ করে ০৭/১০/২০২৫ তারিখে রাত সাড়ে আটটার সময় ফোন দিয়ে বলে আপনি আপনার মেয়েকে এসে আপনার কাছে নিয়ে রাখেন। আমি ওই মুহূর্তে বাড়ি থেকে রওনা দিয়ে রাত ৯টার সময় পৌঁছায় যায়। তখন আমার সালক হাসানুজ্জামান বাড়ির সামনে রাস্তার উপর সাক্ষীদের সম্মুখে আমার নিকট আমার মেয়েকে দিয়ে দেয়।
আমি আমার মেয়েকে নিয়ে চলে আসি কিন্তু কয়েক দিন পর হঠাৎ করে কোট থেকে আমাকে মামলার নোটিশ দিয়ে যায়। মামলার কপিতে দেখা যায় ঠিকানা ভুয়া দিয়ে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলার নোটিশ দেখে আমি হতভম্ব হয়ে পড়ি আমার মেয়েকে সালক হাসানুজ্জামান নিজে আমার কাছে দিয়ে দিয়েছেন তার ফোন কল রেকর্ড আমার নিকট রয়েছে।
অনুসন্ধান টিমের সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের সময় জানা যায়, যে ১৪/০৬/২০২৩ তারিখে ১০নং চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের দপ্তরে হাজির হয়ে, সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজকে, আলোচনা সাপেক্ষে মোছাঃ শাহানারা খাতুন তালাক দিয়েছেন বলে জানা যায়।
আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। আকুল আবেদন রাখছি যে আমার মেয়ে আমার নিকট সুরক্ষিত থাকবে এবং সুশিক্ষিত হবে।



