ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • যশোর সদরে সারের কৃত্রিম সংকট: হৈবতপুর ইউনিয়নের সরকারি সার চলে যাচ্ছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে

    admin
    September 16, 2026 9:45 pm
    Link Copied!

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    যশোর সদর উপজেলার কৃষি খাতে চরম অরাজকতা ও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ উঠেছে।
    ১ নং হৈবতপুর ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত সরকারি সার প্রকাশ্যে চলে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজারের বিভিন্ন এলাকায়, এবং হৈবতপুর ইউনিয়নের সরকারি সার চলে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী কাশিমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় লাইসেন্সবিহীন দোকানে।

    ডিলার, খুচরা বিক্রেতা ও কৃষি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে গঠিত এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ কৃষকে।

    হৈবতপুর ইউনিয়নের সার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও তা অবৈধভাবে কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজারের ‘বাদেডিহি ডক্টর ট্রেডার্স’ (প্রো: তাইজুল ইসলাম) এবং ‘ফজলু ট্রেডার্স’ (প্রো: রবিউল বিশ্বাস) দীর্ঘদিন ধরে সরবরাহ করা হচ্ছে।

    সাতমাইল (বারিনগর) বাজারের ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন ও আশরাফুল ইসলাম নামের দুই ভাই কোনো প্রকার বৈধ্য সারের লাইসেন্স ছাড়াই নিয়মিত সার বিক্রি করছেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সার বিক্রির নিয়ম না থাকলেও বিভিন্ন কীটনাশকের দোকান এবং মুদি দোকানে বস্তায় বস্তায় সার মজুদ রাখা হয়েছে।
    হৈবতপুর ইউনিয়নের ডিলার রাজন ও স্বপনের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার কিনে নিয়ে যাচ্ছে কাশিমপুর ইউনিয়নের লাইসেন্সবিহীন দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে।

    কাশিমপুরের ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’ (প্রো: আবদুস সালাম) ডিলার রাজনের কাছ থেকে এবং ৫ নং ওয়ার্ডের সোহেল ডিলার স্বপনের কাছ থেকে সরাসরি সার সংগ্রহ করছেন।

    কৃষকদের অভিযোগ—যেখানে ১০ কেজি সারের প্রয়োজন, সেখানে সরকারি বরাদ্দের দোহাই দিয়ে তাদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫ কেজি। অথচ অতিরিক্ত লাভের আশায় লাইসেন্সবিহীন দোকানে বস্তায় বস্তায় সার ঢেলে দেওয়া হচ্ছে, কৃষি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে প্রশাসনের তদারকি করার কোনো বালাই নেই।

    ​লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন বলেন, “কিছুদিন আগে ২০ বস্তা সার বিক্রি করেছি, এখন আর বিক্রি করি না।

    ​হৈবতপুর ইউনিয়নের অভিযুক্ত ডিলার রাজন ও স্বপন বাবুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারাও একইভাবে দায় এড়িয়ে বলেন, আগে বিক্রি করেছি, এখন আর বিক্রি করছি না।

    ​কৃষকদের এই ভোগান্তি ও সার পাচারের বিষয়ে উপজেলা ও জেলা কৃষি বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের পক্ষ থেকে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে।

    উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা হাসানকে গত কয়েক দিন ধরে ফোন করা হলে তিনি বলেন”আমি গাড়িতে আছি আবার কখনো কখনো বলেন আমি এখন অনেক ব্যাস্ত রয়েছি, আবার কখনো কখনো বলেন আমি মিটিংয়ে ব্যাস্ত রয়েছি বলে ফোন রেখে দেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানার বিষয়টিও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাচানের মতো একই ধরনের তাকেও একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে ফোন কেটে দেওয়া হয়েছে।

    কৃষি সম্প্রসারণ অতিরিক্ত উপপরিচালক আবুল হাসান কে প্রশ্ন করলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত ডিডি-কে ফোন দেওয়ার পরামর্শ দেন।
    ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক জাহিদ হাসান কে, বেশ কয়েকবার ফোন দেওয়া হয়েছিল কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক কে, বিষয়টি জানালে তিনি বলেন আপনি কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানার সাথে কথা বলুন সাংবাদিক বলেন তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন না। তখন তিনি সাংবাদিককে বলেন আপনি আমাকে বিস্তারিত লিখে দিন আমি ব্যাবস্থা নিচ্ছি।

    ​কাগজে-কলমে কৃষি বিভাগের নানা মনিটরিংয়ের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রয়োগ নেই। তাহলে এই মনিটরিং দিয়ে কৃষকের লাভ কী—এখন জনমনে এই বড় প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সিন্ডিকেটের হাত থেকে সার খাতকে মুক্ত করতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST