নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসেন ও লেবুতলা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোছাঃ সরোয়ারি খাতুন, এই দুই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের নিয়মে অফিস খোলার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কচুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৯,২০ মিনিটেও কাউকে পাওয়া যায়নি বা অফিস খুলতেও দেখা মেলে নাই, লেবুতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা মোছাঃ সারোয়ারি খাতুন, দীর্ঘদিন ধরে একই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। সরোয়ারি খাতুন ও দীর্ঘদিন ধরে ৯,১৫, থেকে শুরু করে ৯,২০ মিনিটের দিকে অফিসে আসতে দেখা গেছে।
সরকারি নিয়ম রয়েছে সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আসতে হবে এবং পরবর্তী ৪৫ মিনিট অফিসে থাকার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়ম নীতি মানছেন না। নিজেদের খেয়াল খুশি মন গড়া অফিসে খুলছেন।
প্রথেক কর্মকর্তা তার নিজের ইচ্ছায় অফিস করছেন, সরকারি ভাবে নিয়ম-নীতি থাকলেও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানছেন না, এবং মানতে বাধ্য ও নয়।
সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়ম মাফিক অফিস খুলতেন তাহলে সাধারণ মানুষের সেবা নিতে সমস্যা হয় না, আর যদি অফিস ১৫ মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত দেরিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আসেন তাহলে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের একটু হলেও সমস্যারসম্মুখীন হতে হয়।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অফিসে আসা উচিত বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।
সাংবাদিকরা এই দুই ভূমি অফিসের আশপাশে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানতে পান, তারা বলেন প্রায় দিনই দেখা যায়, অফিস ৯টার পরে খুলতে তারা বলেন আমরা তো এতো কিছু বুঝি না, সরকারি অফিসের নিয়ম কি আছে কখন খুলবে আর কখন বন্ধ করবে তা অফিসে যারা চাকরি করেন শুধু তারাই বলতে পারবেন, সাধারণ জনগণ বলেন অফিসের সবার উচিত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অফিস খোলা কিন্তু তারা একটু দেরি করে আসেন এইটা সঠিক।
কচুয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসেনকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়েছে কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
লেবুতলা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোছাঃ সরোয়ারি খাতুন, সাংবাদিকে মুঠো ফোনে বলেন আমি ঠিক সময়ে অফিসে এসে থাকি আমার মতো অফিসে আর কেউ আসে মনে হয় না। সাংবাদিক বলেন আপনি তো আজকে ও ৯,১৫ মিনিটে অফিসে আসছেন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন আমি আপনার জন্য সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে রাখবো আপনি আসলে দেখাবো যে আমি অফিসে কখন আসছি, সাংবাদিকদের কর্মকর্তা বলেন আপনি নিউজ করে যা পারেন তাই করেন আমার কোনো সমস্যা নেই, তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন আপনি নিউজ করে যদি কিছু করতে পারেন তাহলে করে দেখান, আপনার মতো অনেক সাংবাদিককে দেখা আছে কতো সাংবাদিক আসলো গেলো। একজন কর্মকর্তা এই ধরনের কথা বলা সঠিক নয়, তিনি বরাবরই সাংবাদিকে হুমকি দিয়ে কথা বলেছেন, একজন সরকারি চাকুরীজীবির কাছ থেকে এই ধরনের আচরণ কাম্য নয়। এর আগেও অবৈধ মাটি কাটার বিষয়ে অনেকবার জানানোর পরেও তিনি মাটি কাটার বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা মোঃ শামীম হোসাইনকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অফিস খুলছেন না ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
বিষয়টি জানানো হয়েছে তিনি বলেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ৯টার মধ্যে অফিসে সবাইকে আসতে হবে অন্য কোন ধরনের সুযোগ নেই যদি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দেরিতে অফিস খুলে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ভাবে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


