ঢাকাSaturday , 7 November 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • সিজি’র সভাপতি হলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় পর্যায়ে যোগ্য লোকের এতই কি অভাব ?

    admin
    November 7, 2026 10:50 pm
    Link Copied!

    জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
    কক্সবাজার শহরে কি তবে দক্ষ ও যোগ্য লোকের চরম আকাল পড়েছে? সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সচেতন নাগরিক মহলে এখন এই প্রশ্নই জোরালো হয়ে উঠেছে। একটি ওয়ার্ড পর্যায়ের স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য স্থানীয়দের মধ্য থেকে উপযুক্ত কোনো ব্যক্তি না খুঁজে শেষ পর্যন্ত ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে বসছে খোদ কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা!
    সংযুক্ত সরকারি নথি ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার সদর উপজেলার সিকদার পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য সম্প্রতি গঠিত ১৭ সদস্যের ‘কমিউনিটি গ্রুপ (CG)’ পরিচালনা কমিটিতে সভাপতি পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দির নিবাসী মো. আদনান চৌধুরীকে।
    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিটি ভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (CBHC) নির্দেশিকা এবং কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা গাইড লাইন অনুযায়ী, প্রতি ৩ বছর পর পর ১৩ থেকে ১৭ সদস্যের একটি কমিউনিটি গ্রুপ (CG) গঠন করা হয়।
    গাইডলাইনের বিধিবিধান অনুযায়ী:
    কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির মূল উদ্দেশ্যই হলো স্থানীয় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ও সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা। গাইড লাইনের কমিটি গঠন সংক্রান্ত ধারায় স্পষ্ট বলা রয়েছে, কমিটির সভাপতি হবেন স্থানীয় জমিদাতা, কোনো স্থানীয় সমাজ সেবক বা জনগণের ভোটে মনোনীত স্থানীয় অধিবাসী। পৌরসভা এলাকার ক্ষেত্রে ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তি বা জমিদাতা প্রতিনিধিকে সভাপতি করার বিধান রয়েছে।
    পদাধিকারবলে সদস্য বা উপদেষ্টা হিসেবে সরকারি কিংবা পৌরসভার প্রতিনিধিরা তত্ত্বাবধান করতে পারেন, কিন্তু সরাসরি তৃণমূল পরিচালনা কমিটির প্রধান বা সভাপতি হওয়ার বিধান বিরল।
    অথচ সিকদার পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের নথিতে দেখা যাচ্ছে, জমিদাতা/সম্মানিত সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে বাদ দিয়ে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরীকে সরাসরি সভাপতির পদে বসানো হয়েছে।
    স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটি কমিউনিটি ক্লিনিক হলো তৃণমূল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। যেখানে স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধি সভাপতি হওয়ার কথা, সেখানে একজন পৌরসভার প্রথম শ্রেণির প্রশাসনিক কর্মকর্তা ক্লিনিকের দৈনন্দিন সভাপতি পদে বসবেন কেন? এতে দুটি প্রশ্ন ওঠে—হয় কক্সবাজার শহরে ক্লিনিক পরিচালনাকারী কোনো যোগ্য স্থানীয় লোক নেই, নয়তো প্রশাসনিক পদমর্যাদার ক্ষমতার অপব্যবহার করে গাইড লাইন তোয়াক্কা না করেই এমন পদ দখল করা হয়েছে।”
    কমিটির অন্যান্য পদের মধ্যে সহ-সভাপতি-১ পদে ফেরদৌসি চৌধুরী, সহ-সভাপতি-২ পদে শামিমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল মান্নান, কোষাধ্যক্ষ পদে সৈয়দুল হক আজাদ এবং যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. তোফায়েল আহমদ সিকদারসহ মোট ১৭ জনের নাম দেখা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং ক্যাচমেন্ট এলাকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদিত এই কমিটি গঠন নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় সচেতন মহলে কৌতূহল ও নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। এখানে আরো উল্লেখ যে, ১৭ জনের কমিউনিটি গ্রুপ (সিজি গ্রুপ) এর মধ্যে ৫ জন হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক এর ক্যাচমেন্ট এলাকার বাইরে থেকে নেওয়া হয়েছে।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST