ঢাকাThursday , 27 August 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • জাইকা প্রতিনিধি ও কক্সবাজার এর ডিসিসহ ৪ জনকে আদালত অবমাননার নোটিশ

    admin
    August 27, 2026 3:11 pm
    Link Copied!

    জেলা প্রতিনিধি
    কক্সবাজার

    কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ও নো ডেভেলপমেন্ট জোন – এর বালিয়াড়ি ভরাট করে অবৈধভাবে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে এই কার্যক্রম চলায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) বাংলাদেশ প্রতিনিধি সহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ(এইচআরপিবি)-এর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এই নোটিশ পাঠান।
    আইনি নোটিশপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তা হলেন:- ১. কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান ২. প্রকল্প পরিচালক (নগর উন্নয়ন ও নগর শাসন প্রকল্প) এ এস এম রাশিদুর রহমান ৩. কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান চৌধুরী ও ৪. জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) বাংলাদেশ প্রতিনিধি তাকাহাসকি জানকো

    বর্তমান প্রেক্ষাপট ও যা ছিল হাইকোর্টের নির্দেশনায়:- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অনিয়ন্ত্রিত স্থাপনা নির্মাণ রোধ ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে ২০১১ সালে এইচআরপিবির রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে এক ঐতিহাসিক রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে বালিয়াড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং সেখানে যেকোনো ধরনের স্থায়ী বা অস্থায়ী অবকাঠামো ও সড়ক নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর আগে আদালতের কঠোর হস্তক্ষেপে সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অবৈধ স্থাপনা দুই দফায় উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

    বিতর্কিত প্রকল্পের বিবরণ ও পরিবেশ বিপর্যয়:- সরেজমিনে ও পরিবেশবাদীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ধ্বংস করে ১.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২৮ মিটার প্রশস্ত একটি সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করেছে কক্সবাজার পৌরসভা। নগর উন্নয়ন ও নগর শাসন প্রকল্প – এর আওতায় ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যেখানে অর্থায়ন করছে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা (JICA)। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এনডিই)।

    পরিবেশ আইন ও ২০১৩ সালের কক্সবাজার মহা পরিকল্পনা অনুসারে, সৈকত এলাকা ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) এবং জোয়ার-ভাটার মধ্যবর্তী এলাকা থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত নো ডেভেলপমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত। আইনগত ভাবে এখানে পরিবেশগত ছাড়পত্র ব্যতীত যে কোনো কাজ দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ ক্ষতিকর এই সড়কটি নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন। ইতোমধ্যেই ভারী খনন যন্ত্র (এক্সকাভেটর) ব্যবহার করে সুগন্ধা পয়েন্টের প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট ১০-১২টি বালুর টিবি (ডেইল) কেটে সমান করা হয়েছে এবং জীব বৈচিত্র্যের অন্যতম উপাদান সাগরলতা ও লাল কাঁকড়ার আবাসস্থল ভরাট করা হয়েছে।

    ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম :- অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ স্বাক্ষরিত আইনি নোটিশে ই-মেইল ও ডাক যোগে প্রেরণের তথ্য নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্বেও বালিয়াড়ি ভরাট করে সড়ক নির্মাণ চরম আইনি লঙ্ঘন এবং সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল। নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সৈকতের বালিয়াড়িতে সব ধরনের নির্মাণ কাজ স্থায়ী ভাবে বন্ধ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় হাইকোর্টে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার (Contempt of Court) আবেদন করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি রক্ষা ও ইসিএ এলাকায় বেআইনি উন্নয়ন কাজ বন্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ও পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ইতিমধ্যে তীব্র প্রতিবাদ ও আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST